বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা আশা করি, সরকারি দল সহযোগিতা করবেন। একই অর্ডারে সংসদ এবং গণভোট হয়েছে। নাজায়েজ হলে দুটোই হবে। পরশু আলোচনার সময় দিয়েছেন। আমরা আলোচনায় অংশ নেব।
রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধানসংক্রান্ত সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে আলোচনা চেয়ে সংসদে নোটিশ দেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা নিয়ম মেনে নোটিশ দিয়েছি। তা নিয়ে আলোচনায় দফায় দফায় বাধা এসেছে। ৭০ শতাংশ মানুষের ম্যান্ডেট নিয়ে গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হয়েছে। জুলাই সনদকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না।
তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে সংসদ গঠিত হয়নি। অনেক ত্যাগের মধ্য দিয়ে সংসদ হয়েছে। আমরা আশা করি, এই সংসদ জুলাই চেতনাকে ধারণ করবে।
তিনি আরও বলেন, এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা দিবেন প্রধানমন্ত্রী বা আইনমন্ত্রী। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমদিন থেকেই এসব বিষয়ে কথা বলছেন। স্পিকার রুলিং দেয়ার পরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা বলা অনাকাঙ্ক্ষিত। তার মতো জ্যেষ্ঠ সাংসদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করিনি।