পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দ্রুত ফিরিয়ে আনা। বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন করবে সরকার। এজন্য পুনর্বাসনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনঃনির্মাণ এবং কৃষিখাতের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে বান্দরবানে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে শহরের পরিষদ রেস্টহাউজ চত্বরে তিনি এসব কথা বলেন। পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে এ ত্রাণ দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসন করা হবে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি এক মাসের জন্য স্থগিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত...
30
পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দ্রুত ফিরিয়ে আনা। বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন করবে সরকার। এজন্য পুনর্বাসনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনঃনির্মাণ এবং কৃষিখাতের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে বান্দরবানে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে শহরের পরিষদ রেস্টহাউজ চত্বরে তিনি এসব কথা বলেন। পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে এ ত্রাণ দেওয়া হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসন করা হবে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি এক মাসের জন্য স্থগিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার গৃহপালিত পশুর জন্য সরকারিভাবে বিনামূল্যে টিকা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, জেলা পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকারসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।