প্রাথমিক বৃত্তি পেলেই পরবর্তী তিন বছর নিশ্চিন্তে টাকা পাওয়ার সুযোগ নেই। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, শিক্ষার্থীদের আচরণ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি এবং পড়াশোনায় সন্তোষজনক অগ্রগতির ওপর বৃত্তির টাকা পাওয়া নির্ভর করবে। নির্ধারিত এই শর্তগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হলে যেকোনো সময় বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসিক ও এককালীন অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। বৃত্তির টাকা সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জিটুপি পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো হবে। এছাড়া, সরকার যেকোনো সময় বৃত্তির হার, মেয়াদ বা শর্ত পরিবর্তনের পূর্ণ ক্ষমতা সংরক্ষণ করে এবং কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন বা বাতিলের এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রয়েছে।