October 17, 2026, 1:23 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: সেতুমন্ত্রী জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি একাকার হওয়ার অভিযোগ তুলে দল ছাড়লেন কেন্দ্রীয় নেতা ভারত থেকে এল ১৮ নতুন রেলকোচ, আসবে আরো ১৮২ দুর্গাপূজায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানালেন ড. ইউনূস দেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার, অর্ধেকের যোগ্যতা পুরোপুরি কাজে লাগছে না বাংলাদেশের মতো সরকার পতনে বিজেপি কেন সতর্ক করছে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখো, বিশ্বজুড়ে… | স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ার ২০২৬ | পর্ব-০৩ ভোলায় গ্যাস সংযোগসহ ৫ দাবিতে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি পানির ট্যাংকের ওপর লক্ষ্মী প্যাঁচার সংসার—নিউইয়র্কে পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ কেন হারিয়ে যাচ্ছে নকশা আঁকা টমটম গাড়ি

বাংলাদেশের মতো সরকার পতনে বিজেপি কেন সতর্ক করছে

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, October 17, 2026
  • 19 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন এবং রাজনৈতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সম্প্রতি নতুন দিল্লীর একটি সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ বর্তমান সরকারের পতনকে গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করার পর বিষয়টি নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতার মুখে বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের প্রশংসা শোনার পর থেকেই শাসকদল বিজেপি আরও বেশি সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের মতে, বিরোধীরা নির্বাচনী সংস্কারের দাবি তুললেও তাদের মূল উদ্দেশ্য তরুণ সমাজকে ব্যবহার করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় নির্বাচন কমিশনের অনিয়ম ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও আন্দোলনকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রশান্ত ভূষণ মন্তব্য করেন যে, পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে তাতে সরকারের পরিবর্তন ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয় এবং সরকার পরিবর্তন চাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। তাঁর এই বক্তব্যের পরই ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পক্ষ থেকে জোরালো অভিযোগ তোলা হয় যে, বিরোধীরা মূলত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মানুষের আস্থা কমিয়ে দিয়ে দেশে অরাজকতার পরিবেশ সৃষ্টির পায়তারা করছে।

এর আগে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের এক নেত্রীর একটি ভিডিও বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে এই বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে তোলে। ওই নেত্রী বাংলাদেশের বিগত ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে সেটিকে ভারতের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে বর্ণনা করেন। বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই বক্তব্য তুলে ধরে দাবি করেন যে, এটি মূলত ভারতেও একই ধরনের সরকার পতনের আন্দোলনের প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি। এই ঘটনার সঙ্গে কংগ্রেস এবং বিরোধী দলগুলোর কৌশলগত যোগসূত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে ক্ষমতাসীন দলটি, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে তারা মনে করছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করলে বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতারা সরাসরি বিরোধীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শাণিত করেন। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন যে, একটি রাজনৈতিক মহল দেশের তরুণ সমাজকে অরাজকতার রাজনীতিতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, রাজনৈতিক পরিবর্তন কোনো বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে নয়, বরং কেবল সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। এছাড়া মহারাষ্ট্র ও গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীসহ বিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও একই সুরে মন্তব্য করেছেন যে, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে এবং সামাজিক বিভাজন তৈরি করে ক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com