October 23, 2026, 11:45 am

আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান?

Reporter Name
  • Update Time : Friday, October 23, 2026
  • 14 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডার রাজনীতিতে বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসনের দাবি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে ১৯৯৫ সালের ৩০ অক্টোবর কুইবেক প্রদেশে একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রায় দেশটির অখণ্ডতা বিপন্ন করে তুলেছিল। ফরাসি ভাষাভাষী অধ্যুষিত কুইবেকের সেই গণভোটে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত ব্যাপক এবং তৎকালীন সময়ে প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

ওই গণভোটে কুইবেকের ভাগ্য নির্ধারণী ভোটাধিকার প্রয়োগের হার ছিল অবিশ্বাস্য রকমের বেশি, যা প্রায় ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। অত্যন্ত অল্প ব্যবধানে সে যাত্রায় কানাডা থেকে কুইবেকের বিচ্ছিন্ন হওয়া ঠেকানো সম্ভব হলেও এই ঘটনা দেশটির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গভীর ক্ষত রেখে যায়। পরবর্তীতে এই ধরনের আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় কানাডার সরকার ও আদালত নানা ধরনের আইনি ও সাংবিধানিক পথ উন্মুক্ত করে।

কুইবেকের সেই ঐতিহাসিক ঘটনার পর থেকেই কানাডার অন্যান্য প্রদেশেও মাঝে মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার বা আলাদা হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন শোনা যায়। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশেও বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রবিরোধী মনোভাব এবং নিজেদের সম্পদ নিজেদের মতো ব্যবহারের দাবি জোরালো হয়েছে। তবে এসব আন্দোলনের প্রকৃতি ও জনসমর্থন কুইবেকের মতো অতীতে এতটা তীব্র রূপ নেয়নি।

কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও দেশটির মূলধারার এই রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক গতিপ্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। অভিবাসী হিসেবে তারা কানাডার অখণ্ডতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজব্যবস্থার পক্ষে সাধারণত নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে থাকেন। ফলে আলবার্টা বা অন্য কোনো অঞ্চলের স্বাধীনতা ইস্যু তৈরি হলে সেখানে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও নানা ধরনের আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com