October 29, 2026, 3:24 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ইংলিসের ব্যাটে লিড পেল অস্ট্রেলিয়া বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, October 29, 2026
  • 17 Time View

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় সাধারণ বগিগুলোতে বয়স্ক ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত আসন ছাড়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনীহা দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি উত্তরা দক্ষিণ স্টেশন থেকে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক নারী মেট্রোরেলে ওঠার পর বসার কোনো জায়গা পাননি। বগিতে পর্যাপ্ত আসন ফাঁকা না থাকায় এবং তাঁর পাশেই সংরক্ষিত ছয়টি আসনে তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষ যাত্রীরা বসে থাকায় তাঁকে সম্পূর্ণ পথ দাঁড়িয়েই কাটাতে হয়। অথচ ট্রেনের ভেতরে থাকা স্পিকারে বারবার বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের বসার জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হলেও কারও মধ্যে আসন ছেড়ে দেওয়ার ন্যূনতম সদিচ্ছা লক্ষ্য করা যায়নি।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের বা ডিএমটিসিএলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি মেট্রোরেলের সামনের একটি কোচ শুধু নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। এর বাইরে সাধারণ প্রতিটি কোচে সন্তান কোলে থাকা নারী, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিশেষ অগ্রাধিকার আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সাধারণ কোচে এই নিয়ম কার্যকরের ক্ষেত্রে যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে। নিয়মিত যাতায়াতকারী অনেক নারী যাত্রী অভিযোগ করেছেন যে, সংরক্ষিত আসনগুলোতে বসা তরুণ ও যুবকেরা অনেক সময় অনুরোধ করলেও উঠতে চান না, বরং মুঠোফোনে ব্যস্ত থাকার ভান করেন কিংবা নারীদের আলাদা কোচে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

মেট্রোরেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সাধারণ যাত্রীর মধ্যেও নিয়মের সঠিক ধারণার অভাব রয়েছে বলে বিভিন্ন অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে। ট্রেন ছাড়ার তাড়া থাকায় অনেক সময় নারী যাত্রীরা ভুলবশত বা না জেনেই সাধারণ বগিতে উঠে পড়েন এবং পরে স্পিকারের ঘোষণা শুনে অগ্রাধিকার আসনের বিষয়টি বুঝতে পারেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও অনেকেই নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান না। নিয়মিত যাত্রীদের মতে, কোচে বারবার সচেতনতামূলক ঘোষণা দেওয়া হলেও তার কোনো কার্যকর তদারকি না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং প্রবীণ ও নারীরা প্রতিনিয়ত বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন।

যাত্রীদের এই অনীহা ও অসচেতনতার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, সংরক্ষিত আসনগুলোতে স্পষ্ট নির্দেশনা সংবলিত স্টিকার লাগানো রয়েছে এবং ডিসপ্লে ও অডিওর মাধ্যমে নিয়মিত ঘোষণা দেওয়া হয়। এতকিছুর পরও নিয়মের ব্যত্যয় ঘটা অত্যন্ত হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক মোড় নজরুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন যে, যাত্রীরা নিজেদের স্বতঃস্ফূর্ত সচেতনতা থেকে নিয়মগুলো মেনে চলবেন এটাই সবার প্রত্যাশা, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com