October 30, 2026, 4:12 am
সর্বশেষ সংবাদ:
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত সার্কুলার জারি নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

Reporter Name
  • Update Time : Friday, October 30, 2026
  • 18 Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পেছানো হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশ এখন ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে এই বিশেষ মর্যাদা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নীত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং অর্থনৈতিক প্রস্তুতির কথা বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই অতিরিক্ত তিন বছর সময় পাওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন ধরনের শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং আর্থিক প্রণোদনাগুলো ২০২৯ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর ফলে দেশের রপ্তানি খাত এবং সামগ্রিক শিল্পায়ন এই বাড়তি সময়ের সুবিধা গ্রহণ করে নিজেদের আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করে তুলতে পারবে।

স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নত দেশের বাজারে যেসব বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে, উত্তরণের পর তা ক্রমান্বয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এই তিন বছরের বর্ধিত সময় দেশের নীতি নির্ধারক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বিরাট সুযোগ হিসেবে কাজ করবে, যাতে তারা বিশ্ববাজারের নতুন প্রতিযোগিতার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, তৈরি পোশাক খাত এবং কৃষিপণ্য রপ্তানিতে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় এই সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উত্তরণের এই সময়সীমা পরিবর্তনের ফলে অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও সরকারের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই বর্ধিত সময়ের সদ্ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রক্রিয়াগুলো আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। সার্বিকভাবে, দেশের অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষে এই সময় বৃদ্ধি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com