November 7, 2026, 3:09 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ’ গঠন করবে বিরোধী জোট বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা, নয়াপল্টনে নেতা-কর্মীদের ঢল সরকারের সাত মাসের কর্মকাণ্ডে জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা বেড়েছে: এ টি এম মাসুম আর কেউ যেন বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক: কানাডার ৮ মানি এক্সচেঞ্জের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রায় দুই লাখ টাকার শাড়ি পরে মিস ইউনিভার্সে অংশ নিতে গেলেন ভারতের কাজিয়া জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজারের বেশি হামের রোগী শনাক্ত, ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭ নভেম্বর: কী ঘটেছিল, কী দেখেছিলাম ইবনে জাদআনের ঘর: ‘হিলফুল ফুজুল’ যেখানে গঠিত হয়

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক: কানাডার ৮ মানি এক্সচেঞ্জের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, November 7, 2026
  • 19 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্প্রতি কানাডার আটটি মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মার্কিন আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিতে সহায়তা করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট নামের একটি বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মূলত তেহরানের অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং তহবিল স্থানান্তর রোধ করার চেষ্টা চলছে।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু অংশ ইরানি রিয়ালসহ বিভিন্ন মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো ডিজিটাল সম্পদে রূপান্তর করে অবৈধ অর্থ পাচার করেছে। পাশাপাশি মাদক পাচারকারী চক্রের একটি প্রধান সিন্ডিকেটকেও এই প্রতিষ্ঠানগুলো সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কানাডার অন্টারিও এবং ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ এবং ক্রিপ্টোইয়াল অন্যতম। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে কানাডা যেন নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সজাগ রয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো মার্কিন ডলারভিত্তিক আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের যদি কোনো সম্পদ থেকে থাকে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে জব্দ করা হবে এবং মার্কিন কোনো নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবে না। মার্কিন পদক্ষেপের পর কানাডার আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা ফিনট্র্যাক জানিয়েছে যে তারা মার্কিন ফিনসেন সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও প্রতিরোধে কাজ করছে। অন্যদিকে, সেশেলসভিত্তিক এমএক্সসি গ্লোবাল নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও পৃথক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে যা ইরান, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে বিশাল অঙ্কের অবৈধ লেনদেনে জড়িত ছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে ইরানের আর্থিক লেনদেন ও তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করতে ওয়াশিংটন একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর আগে ভারত ও তুরস্কের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের শাসকগোষ্ঠী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার চাপে ইতোমধ্যে ইরানি মুদ্রার মান রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে এবং দেশটিতে মূল্যস্ফীতি চরম আকার ধারণ করেছে বলে মার্কিন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com