August 18, 2026, 12:11 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
রাশিয়ার নির্বাচনে নিষিদ্ধই থাকছে বিরোধী দল, উপপ্রধানের কারাদণ্ড রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের অগ্রযাত্রায় মেধাবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন বাসযোগ্য নগর গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক মার্কিন মিত্র ওমানকে বো/মা মেরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প ৯০ শতাংশ ভাড়াটিয়ার তথ্য নেই, জ/ঙ্গি আস্তানাসহ বাড়ছে খু/ন সাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত চিফ প্রসিকিউটরের কাছে নিরাপত্তা চাইলেন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী শিশুর হাম, চিকিৎসা করাতে ঘরবাড়ি বিক্রি করে নিঃস্ব

ভাইরাল মেনিনজাইটিসও হয়ে উঠতে পারে প্রাণঘাতী, লক্ষণ ও প্রতিকার জেনে রাখুন

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, April 10, 2025
  • 189 Time View
196

সাধারণত ভাইরাস জ্বর বলতে আমরা বুঝি সর্দি-কাশি, ঠান্ডা, গলা বসাকে। কিন্তু ভাইরাস ভয়ানক প্রাণসংহারীও হয়ে উঠতে পারে। কখনো কখনো তা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আক্রমণ করে। যেমনটা হয় ভাইরাল মেনিনজাইটিসে।

আমাদের মস্তিষ্কের চারদিকে যে পাতলা আবরণ রয়েছে, তাকে মেনিনজেস বলে। কোনো কারণে এই মেনিনজেসে প্রদাহ হলে তাকে বলে মেনিনজাইটিস। সাধারণত সংক্রমণের কারণেই এটি বেশি হয়। এ সংক্রমণ ভাইরাস ছাড়াও ব্যাকটেরিয়া ও যক্ষ্মার জীবাণু দিয়ে হতে পারে। বয়স ও পরিবেশ ভেদে সংক্রমণকারী জীবাণুর ভিন্নতা দেখা যায়।

কীভাবে জীবাণু এই মেনিনজেসকে আক্রমণ করে
নাক, কান, গলা অর্থাৎ মাথার যেকোনো জায়গা বা মস্তিষ্কের কাছাকাছি কোনো অঙ্গে সংক্রমণ হলে তা খুলির ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে মেনিনজাইটিস হতে পারে।

দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত লেগে মস্তিষ্ক পর্যন্ত জীবাণুর প্রবাহ বাধাহীন হয়ে মেনিনজাইটিস হতে পারে।

শরীরের যেকোনো অঙ্গের সংক্রমণ রক্তে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র জটিলতা হিসেবে মেনিনজাইটিস দেখা দিতে পারে।

লক্ষণ
মেনিনজাইটিসের প্রধান লক্ষণ জ্বর ও মাথাব্যথা।

ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, শরীরে লাল দাগ (র‍্যাশ) আসা।

অস্থিরতা বোধ করা, চেতনা কমে আসা ইত্যাদি।

তবে সব ক্ষেত্রে মেনিনজাইটিসের একই লক্ষণ একইভাবে প্রকাশ পায় না।

মেনিনজাইটিস একটি গুরুতর রোগ। মস্তিষ্ক যে আবরণ দিয়ে নিরাপত্তা পায়, সেটাই যেহেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। তবে ভাইরাসের কারণে হলে তীব্র মাথাব্যথা ও জ্বরের পর একসময় নিজে থেকে সেরে যায়। ব্যাকটেরিয়া ও যক্ষ্মার জীবাণুর সংক্রমণে যে মেনিনজাইটিস হয়, সেটি গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, এমনকি প্রাণঘাতীও হতে পারে।

ভাইরাসজনিত মেনিনজাইটিস সচরাচর গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি না করলেও যদি মস্তিষ্কের প্রদাহ হয়ে যায়, তবে তা প্রাণঘাতী হতে পারে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে মস্তিষ্কের চারপাশে যে তরল (সিএসএফ) থাকে, তার স্বাভাবিক প্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে এবং মস্তিষ্ক ফুলে উঠতে পারে। ফলে রোগীর চেতনায় পরিবর্তন হয়, বিভিন্ন স্নায়বিক দুর্বলতা দেখা দেয়, রোগী কোমায় চলে যেতে পারে। যক্ষ্মার জীবাণুর ফলে যে মেনিনজাইটিস হয়, তা সচরাচর দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার সৃষ্টি করে।

চিকিৎসা
মেনিনজাইটিস প্রতিরোধে যেকোনো সংক্রমণ, বিশেষ করে নাক, কান, গলা ও মুখের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা জরুরি।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। মাথায় কোনো আঘাত পেলে উপযুক্ত চিকিৎসা নিয়ে সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে।

মনে রাখবেন মাথাব্যথা হলেই তা মেনিনজাইটিস নয়। তবে তীব্র জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা ও ঘাড় শক্ত হলে দ্রুত নিউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com