শীত এলেই অনেকের হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে আসে। ভোর বা সন্ধ্যার দিকে তো সমস্যা আরও প্রকট হয়। মফস্বল, সীমান্ত কিংবা নদীবিধৌত অঞ্চলে বসবাসকারীরা এ সময় যেন নিত্যদিনের সঙ্গী করে
পরিবেশদূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের দেহে প্রবেশ করছে নানা ধরনের বিষাক্ত উপাদান। এসব উপাদান রক্তে জমে শরীরে সৃষ্টি করে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া। দেখা দিতে পারে হজমে
অ্যালকালাইন ওয়াটার নিয়ে নানা রকম স্বাস্থ্য- দাবি শোনা যায়। কেউ বলেন এটি নাকি দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, আবার কেউ বলেন নারীদের মেনোপজের উপসর্গ কমাতেও এটি কার্যকর। তবে এসব দাবি
বাজারে এখন শীতের নানারকম শাকসবজি পাওয়া যাচ্ছে। এই সময় বিভিন্ন রকম রোগের প্রকোপও বাড়ে। শীতে সুস্থ থাকতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। সেক্ষেত্রে ডায়েটে রাখতে পারেন পালং শাক। নিয়মিত
অনিয়মিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর একটি এই হৃদরোগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ফ্যাট ও কোলেস্টেরল ধমনিতে বাধা তৈরি করে, ফলে রক্তপ্রবাহ
ঝকঝকে, সুস্থ দাঁত ও মাড়ি পেতে শুধু দিনে দু’বার ব্রাশ করলেই হবে না, বরং মাজনের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে বিজ্ঞাপনের প্রভাবেই ব্রিসলসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একদম ভরিয়ে মাজন ব্যবহার করেন।
বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস টাইপ-২ এখন মহামারির আকার নিয়েছে। বিশেষত তরুণদের মধ্যে এই রোগের হার যেভাবে বাড়ছে, তা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। কারণ, রাতে ঘুম হারানো, দিনে খাওয়া-দাওয়া ঠিকমতো মেনে চলা,
বাঙালির জীবনে ভাত মানেই আবেগ। সকাল, দুপুর বা রাত—দিনের যে কোনো খাবারে ভাত না থাকলে যেন আহারই অপূর্ণ লাগে। ডাল-ভাত, মাছ-ভাত, মাংস-ভাত—যে নামেই বলুন না কেন, এই যুগলবন্দি ছাড়া আমাদের
দেশের আবহাওয়া বদলে যাচ্ছে। গায়ে লাগছে শীতের ছোঁয়া। হঠাৎ আবহাওয়ার এ রদবদলে অনেকেই ভুগছেন সর্দি-কাশি, গলাব্যথা কিংবা জ্বরে। আর এসবের সহজ সমাধান হিসেবে ঘরে ঘরে সবাই হাত বাড়ান একটাই ওষুধের
ডিম এমন এক খাবার, যা সাশ্রয়ী দামে সহজলভ্য এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডে সমৃদ্ধ এই খাবারটি সকালের নাস্তা থেকে রাতের খাবার— সব জায়গাতেই মানিয়ে যায়।