শেখ হাসিনা-আসাদুজ্জামান খান কামালের মতো আরও মৃত্যুদণ্ডাদেশ, বিভিন্ন দণ্ড, নিপীড়ন, নির্যাতনকে রাজনীতির সহানুভূতির হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে এগোচ্ছে বিতাড়িত আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনাসহ বাইরে থাকা নেতৃত্ব থেকে দেশে থাকা নেতাকর্মী-সমর্থকদের কাছে
শেখ হাসিনার ফাঁসি বিষয়ে প্রথম আগাম নিউজ ‘ঠিকানা’র। ২০২৪-এর ৫ আগস্ট ছাত্র-গণঅভুত্থানে তিনি পদচ্যুত ও পলাতকা। ৭ আগস্টের ‘ঠিকানা’য় শিরোনাম : ‘হাসিনা-কাদেরের ফাঁসি দাবি’। এই প্রতিবেদক বাংলাদেশ সফরে থেকে প্রতিবেদনটি
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরাতে ভারতের কাছে পাঠানোর চিঠি প্রস্তুত হচ্ছে। নোট
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গত এক বছরে বাংলাদেশের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ভারত তাকে প্রত্যর্পণ
শিক্ষকের অনুমতি বা সম্মতি ছাড়াই তাদের নাম ব্যবহার করে ‘শেখ হাসিনার রায় নিয়ে বিবৃতি’ শিরোনামে সংবাদ ছাপানো হয়েছে। কয়েকজন শিক্ষক প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম
১৩তম গ্রেডের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে করতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। মঙ্গলবার
বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার কমলেও এখনো ৫৫টি দেশ এই শাস্তি বহাল রেখেছে। অন্যদিকে, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নের যুক্তিতে ইতিমধ্যে ১১২টি দেশ মৃত্যুদণ্ড পুরোপুরি বা কার্যত বাতিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে গত বছরের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘটিত চারটি হত্যাসহ মোট পাঁচটি মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার দেখাতে পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। আজ ১৮ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল তাদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় ফাঁসির সাজা পেয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে ঢাকা মহানগরের সরকারি সাত কলেজের সমন্বয়ে (ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী