গণহত্যাকারী ইসরাইলের ফাঁদে পা দিয়ে ইরানে আগ্রাসন চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটাতে গিয়ে নিজ দেশে নজিরবিহীন বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন যুদ্ধবাজ এই
ইসরায়েলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির পুলিশ। শনিবার রাতে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হলো জার বোম্বা; যা তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন(বর্তমান রাশিয়া)। তারা মাত্র দুটি এমন বোমা তৈরি করেছিল। জার বোম্বা তিন স্তরবিশিষ্ট হাইড্রোজেন বোমা, যা থার্মোনিউক্লিয়ার
তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে একটি আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল। হামলার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন সংবাদকর্মী জানান, স্থানীয় সময় রাত
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণ করবে আগামী বছরগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী ক্ষমতা ও কৌশলগত সক্ষমতা। এ কারণেই পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত শুধু আঞ্চলিক সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সৌদি আরবের কার্যত শাসক ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান পেছন পেছন ঘুরছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তিনি ভদ্র আচরণ করতে বাধ্য। গত শুক্রবার মিয়ামিতে সৌদি
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগাম সতর্কতা পাঠানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে উড়োজাহাজটি ব্যবহৃত হয়। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে তেহরানের হামলায় ‘ই-৩
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের একটি বিশাল গুদাম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র
পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়কে বাদ দিয়ে সবগুলো প্রতিশোধমূলক হামলার আওতায় পড়বে, যদি সোমবার ৩০ মার্চ তেহরান সময় দুপুর ১২টার মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় হামলার নিন্দা
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের মাটিতে তার সামরিক লক্ষ্যগুলোর অধিকাংশই পূর্ণ করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ আরও কিছু সময় চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, যেন ইরানের বর্তমান