রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বরাবরের মতোই শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে বগুড়া জেলা। পাসের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্তি এবং শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা—সব সূচকেই জেলার অবস্থান বোর্ডের অন্য
বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে বর্তমানে চরম উত্তেজনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিয়োগ নীতিমালা ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের গুঞ্জন ঘিরে সারা দেশের চাকরিপ্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক
চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ও নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আশানুরূপ ফলাফলে বড় ধরণের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। প্রায় ১৯ লাখ পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের নজর ছিল এই ফলাফলের দিকে। তবে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা
বগুড়ায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে জেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। শূন্য পাসের তালিকায়
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পর্যাপ্ত সংখ্যক আসন থাকা সত্ত্বেও এ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এনটিআরসিএ-এর কেন্দ্রীয় সুপারিশের ক্ষমতা বাতিল করে পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া ফিরিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটির
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার এ এম রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। ১১
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা পুনরায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে হস্তান্তরের প্রস্তাবিত রেজল্যুশন বাতিলের জন্য ২৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’। সোমবার রাতে এক ভার্চুয়াল সভায়
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ম্যানেজিং কমিটির প্রভাব বাড়ানোর সরকারি উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন,