ঠান্ডা লাগলে বা অ্যালার্জির কারণে বারবার হাঁচি হওয়ার বিষয়টি খুবই সাধারণ। সাধারণত যখন কোনো ক্ষতিকর কণা বা ধূলিকণা নাকের ভেতরে প্রবেশ করে, তখন নাসারন্ধ্রের সংবেদনশীল অংশটিতে ধাক্কা লাগে এবং এর
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক মো. রফিক মিয়া উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন। নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন তার জন্য অত্যন্ত জরুরি হওয়ায় তিনি স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নন-কমিউনিকেবল
দিল্লির এক বাসিন্দাকে ঘিরে চিকিৎসকদের মধ্যে দারুণ কৌতূহল ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। বিবাহিত জীবনের দীর্ঘ দুই বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও সন্তান লাভে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক কখনোই একদিনে হঠাৎ করে সৃষ্টি হয় না। দীর্ঘমেদিন ধরে চলা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস মূলত এর জন্য দায়ী। এই বদভ্যাসগুলো নীরবে মানুষের রক্তনালির
নতুন জীবন শুরু করার অনেক স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক দম্পতি বিপ্লব ও আঁচলের। কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা পরিকল্পনা সাজিয়ে তারা ধীরে ধীরে নিজেদের ভবিষ্যৎ গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। নতুন ফ্ল্যাটের জন্য প্রয়োজনীয়
নিয়মিত দাঁত মাজার পরও অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে যে এই অভ্যাসে মুখের সব জীবাণু ধ্বংস হয় কি না। চিকিৎসকদের মতে, ব্রাশ করার মাধ্যমে সরাসরি জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া মারা যায় না।
হৃদ্রোগের চিকিৎসায় রিং বসানো কিংবা বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হওয়ার পর রোগীর সুস্থতা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি কিছু ওষুধের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে স্ট্যাটিন জাতীয় ওষুধগুলো রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল মাত্রা কমিয়ে হার্ট
দৈনন্দিন ব্যস্ততায় শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে সময় বের করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে আধুনিক জীবনযাত্রার এই যুগে বহুতল ভবনে বসবাসকারী অনেকেই লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে
দৈনন্দিন ডায়েটে কলা একটি অত্যন্ত পরিচিত ও পুষ্টিকর ফল। এটি কেবল শক্তির উৎসই নয়, বরং এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন জৈবসক্রিয় উপাদান নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞানের
ছোট শিশুদের সামান্য জ্বর দেখা দিলেই অভিভাবকদের পাশাপাশি চিকিৎসকদের মধ্যেও চরম উদ্বেগ তৈরি হয়। নবজাতকদের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঝুঁকি না নেওয়ার মানসিকতা থেকে চিকিৎসকেরা প্রায় সময়ই কালবিলম্ব না করে কড়া