চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে মো. সিয়াম নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুস সোবাহানের ছেলে সিয়াম
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে এবং এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও নতুন রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি
দেশে স্বাস্থ্যখাতে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে এবং এর সংক্রমণ ও উপসর্গজনিত জটিলতা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত একটি নিয়মিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট একটি
দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত এক হালনাগাদ তথ্যে জানানো হয়েছে যে, প্রাণঘাতী এই রোগের উপসর্গ নিয়ে গত একদিনে আরও তিন শিশুর
নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত হৃদরোগ বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে এক আতঙ্কের নাম। চিকিৎসকদের মতে, হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো সবসময় তীব্র আকারে প্রকাশ পায় না, বরং ব্যক্তিভেদে এগুলো বেশ সূক্ষ্ম ও ভিন্ন হতে
মুন্সীগঞ্জ জেলাজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনও উন্নতির দিকে যাচ্ছে না বরং এটি অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে নতুন করে আরও ৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী জেলার বিভিন্ন
দেশে ডেঙ্গু রোগীদের সঠিক ও আধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো
দেশের স্বাস্থ্য খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ রোগীদের হয়রানি কমাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত
দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, বরং মশাবাহিত এই রোগটি প্রতিদিনই কেড়ে নিচ্ছে মূল্যবান প্রাণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টার
দেশে শিশুদের মাঝে হাম রোগের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা অভিভাবক ও চিকিৎসকদের গভীর চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও দুই শিশুর