October 13, 2026, 4:22 am
সর্বশেষ সংবাদ:
যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতির অভিযোগে আবারও বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয়দের নাম সৌদির বিমানবন্দরে সীমিত কার্যক্রম, ভোগান্তিতে ৮ হাজারের বেশি যাত্রী ১০ এতিমের দায়িত্ব নিলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ বন্দরে ড্রেজিংয়ে অপচয় দায়ী চিহ্নিতের নির্দেশ প্রত্যেকের অধিকার-নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব দখলমুক্ত সড়ক থাকলে দ্রুত পৌঁছাত ফায়ার সার্ভিস: ডিএসসিসি প্রশাসক কারা মহাপরিদর্শক পদে যোগ দিলেন আনোয়ারুল কবীর দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাবেক সেনাদের প্ল্যাটফর্ম; দেবাশীষ-গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কী জাতি গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

চলে গেলেন ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, October 5, 2025
  • 200 Time View

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন।

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যু হয়েছে, যার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানান, আহমদ রফিক ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্রনিক কিডনি ফেইলিওর, আলঝেইমার’স, পার্কিনসন’স, ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স, শয্যা-ক্ষত ও ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন।

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের একমাত্র ছাত্র হিসেবে ১৯৫৪ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

১৯৫৮ সালে তার প্রথম বই প্রকাশ হয়। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সমাজ ভাবনার মতো বহুমাত্রিক বিষয়ে ব্যাপৃত ছিল তার লেখনী।

স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ২০০৬ সালে আহমদ রফিক নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন।

২০১৯ সাল থেকে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে থাকে আহমদ রফিকের। ২০২১ সালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। ২০২৩ সাল নাগাদ প্রায় দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন তিনি।

আহমদ রফিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও রবীন্দ্র সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com