আগামী বছরের জুনের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৬ জুনের আগে এই স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ করা হবে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই বিষয়ে অংশ নেওয়া সকল পক্ষ নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছেন। তবে এই বড় কর্মযজ্ঞ কবে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে, সেই সুনির্দিষ্ট শুরুর তারিখ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নির্বাচন আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। নির্বাচন কমিশন মনে করছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোটগ্রহণ শেষ করতে পারলে তা প্রশাসনিক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
ভোটগ্রহণের সুনির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা না হলেও, প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মাঠপর্যায়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খুব দ্রুতই নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে। এর ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও তাদের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার কাঠামোর সবচেয়ে তৃণমূলের এই প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন সম্পন্ন করা সবসময়ই একটি বড় প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ। অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচন কমিশন এবার নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল ও গ্রহণযোগ্য করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সম্মিলিত সহযোগিতায় এই নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।