আগামী বছরের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি চলছে।
তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা স্পষ্ট ঘোষণা আসেনি। নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক প্রস্তুতি ও রূপরেখা নিয়ে আলোচনা চললেও প্রথম ধাপের ভোটের তারিখ নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
নির্বাচন কমিশনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা আরও জানান যে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মাঠপর্যায়ের নানা বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো বিষয়গুলোকে সামনে রেখেই চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে খুব দ্রুতই নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থানীয় পর্যায়ে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতপূর্ণ হওয়ায় কমিশন কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ও বুঝে পদক্ষেপ নিতে চাইছে।