October 8, 2026, 3:42 am
সর্বশেষ সংবাদ:
সিএসআর ব্যয়: সব প্রধান খাতেই বড় পতন গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার: যানজট সমাধানে টোলমুক্ত করাসহ একগুচ্ছ সুপারিশ আত্মসাৎ করা অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত নিয়ে আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি চায় ইউএই আবরার ফাহাদ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের অবস্থা: বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে বড় লোকসান, লাভে বিএসইসি সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭% কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় দল নেবে না: হুইপ জি কে গউছ রংপুরের উন্নয়নে ১৮শ কোটি টাকা বরাদ্দ, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিএনপির র‍্যালি বিবিএসের প্রতিবেদন: খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়াল ৭.২২%, আরও বাড়ার শঙ্কা ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

আত্মসাৎ করা অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত নিয়ে আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি চায় ইউএই

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, October 8, 2026
  • 14 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আত্মসাৎ করে নিয়ে যাওয়া অর্থ বাংলাদেশের কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ লেনদেন এবং অর্থ পাচারের বিষয়টি উদঘাটনের পর সংশ্লিষ্ট শেয়ার ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে এই আইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে করা আপিলগুলো দ্রুত শুনানি সম্পন্ন করে নিষ্পত্তি করার জন্য বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষভাবে সহযোগিতা কামনা করেছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি।

উভয় দেশের কূটনৈতিক ও আইনি মহলের সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক অপরাধ দমন এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এই তাগিদ দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশ থেকে অর্থ পাচার হওয়ার যে অভিযোগ রয়েছে, তার সঙ্গে জড়িত সম্পদ জব্দের পর আইনি জটিলতার কারণে চূড়ান্ত ফয়সালা ঝুলে থাকে। এই পরিস্থিতি এড়াতে এবং অপরাধের শিকার সম্পদ দ্রুত সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিতে আপিল মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি এখন অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট বিশ্লেષকদের মতে, পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই উদ্যোগের ফলে দুই দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক যৌথ কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের আর্থিক অপরাধ রোধ করা এবং বিদেশে লুকানো অবৈধ সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার পথ সুগম হবে।

আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হলে বাজেয়াপ্ত করা শেয়ার ও সম্পত্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খুব শীঘ্রই উভয় পক্ষের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে এই আপিল মামলার জট খুলে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে অপরাধ দমন ও অর্থ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত সহযোগিতা এক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com