October 27, 2026, 2:40 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
গ্রিড বিপর্যয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সচিবালয়সহ ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকা জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা মাও সে–তুংকে নিয়ে ‘রসিকতা’, চীনে বিপাকে এমবাপ্পে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভোটার টানতে নানা প্রতিশ্রুতি রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ৪১ টন ইউরেনিয়ামের চালান সব যোগ্যতা থাকার পরও শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিতে এত জটিলতা কেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে তারেক রহমান সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের বিজয়, নাহিদ ইসলামের অভিনন্দন

ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, October 27, 2026
  • 13 Time View

অপরাধ ডেস্ক: ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রাম শাখা থেকে প্রায় চৌষট্টি কোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আলোচিত এই ঘটনায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ মোট পনেরো জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। সংস্থাটির চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয়ে এই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং মামলার বাদী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দুদকের এক কর্মকর্তা। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে যা পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপে রূপ নেয়।

মামলার বিবরণে প্রকাশ পেয়েছে যে, সম্পূর্ণ ভুয়া প্রতিষ্ঠান ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে এই অর্থ আত্মসাতের চক্রান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। আরামিট সিমেন্ট কোম্পানির নামে প্রথমে ব্যাংক হিসাব খোলা হয় এবং পরবর্তীতে সেই সূত্র ধরে বিপুল অংকের ঋণের আবেদন করা হয়। ব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন নিয়ে বাই-মুরাবাহা ডিলের মাধ্যমে টাকা ছাড় করানোর ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু বাস্তবে কোনো ধরনের পণ্য সরবরাহ না করেই কৃত্রিম লেনদেন দেখিয়ে ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই বিশাল অংকের অর্থ লোপাটের পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট চক্র কাজ করেছিল বলে জানিয়েছে দুদক। আরামিট গ্রুপের এক কর্মীকে ভুয়া ব্যবসায়ী সাজিয়ে একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো হয় এবং এর মাধ্যমেই মূলত ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করা হতো। ব্যাংকে ভুয়া বিল ও চালান জমা দিয়ে ঋণ হিসেবে উত্তোলিত টাকা পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শুধু অর্থ আত্মসাৎই নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক মন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্য ছাড়াও আর্থিক খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ব্যাংকের কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন। ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ঋণ অনুমোদন ও বিতরণের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ মানি লন্ডারিং আইনে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com