October 7, 2026, 3:29 pm

এই দিনটি কখনোই ভুলতে পারবেন না মেসি

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 7, 2026
  • 14 Time View

খেলা ডেস্ক: দীর্ঘ ২১ বছরের বর্ণিল আন্তর্জাতিক ফুটবল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়েছেন আর্জেন্টিনার জীবন্ত কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। সম্প্রতি মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন এই বিশ্বজয়ী ফরোয়ার্ড, যা ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। ম্যাচটিতে বেনিনকে তিন গোলে পরাজিত করে জয় দিয়ে দেশের জার্সিকে বিদায় জানান তিনি। তাঁর এই শেষ ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে পুরো স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ ছিল এবং ভক্ত-সমর্থকদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিদায়বেলায় দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে মাঠ ছাড়েন আধুনিক ফুটবলের এই বরপুত্র।

ম্যাচ শেষে বিদায়ী ভাষণে নিজের খেলোয়াড় জীবনের সেরা মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করেন মেসি। বিশেষ করে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৩ সালের মার্চে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে ভক্তদের সঙ্গে সেই উদযাপনের স্মৃতি এখনো তাঁর মনে গভীর দাগ কেটে আছে। তিনি জানান যে সেই দিনটি তাঁর জীবনের অন্যতম সেরা আনন্দের মুহূর্ত ছিল এবং আজও সেই মুহূর্তের ভিডিও দেখলে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের হতাশা ভুলে ২০২২ সালে এসে নিজের আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া এবং ঘরের মাঠে তার উদ্‌যাপন তাঁর ও তাঁর পরিবারের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিশ্বজুড়ে অসংখ্য ভক্তের ভালোবাসা পেয়েছেন উল্লেখ করে মেসি বলেন যে তিনি বিশ্বের যেখানেই খেলতে গেছেন, সেখানেই মনে হয়েছে নিজের দেশেই খেলছেন। কোপা আমেরিকা কিংবা বিশ্বকাপ—সবক্ষেত্রেই গ্যালারিতে সমর্থকদের অকৃত্রিম সমর্থন ও ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। বর্ণাঢ্য এই ক্যারিয়ারে বহু ওঠানামার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে টানা দুইবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারের পর একবার সাময়িক অবসর নিলেও পরে ফিরে এসে দেশের জার্সিতে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ ট্রফি জেতেন তিনি।

বিদায়ী ম্যাচের পুরো সময়জুড়ে ছিল আবেগ ও ভালোবাসার নানা পসরা। ম্যাচের একপর্যায়ে পেনাল্টি থেকে গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দুটি গোল করতেও সহায়তা করেন মেসি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই স্টেডিয়ামের আকাশে লেজার শো ও আতশবাজির মাধ্যমে তাঁকে বর্ণিল বিদায় জানানো হয়। বিদায়ী ভাষণে তিনি মাঠ ছেড়ে যেতে না চাওয়ার আকুতি জানিয়ে বলেন যে আর্জেন্টাইন হতে পেরে তিনি অত্যন্ত গর্বিত। কোচের দায়িত্বে থাকা লিওনেল স্কালোনি এবং সতীর্থ এনসো ফের্নান্দেসসহ অনেকেই এই কিংবদন্তির বিদায়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com