October 26, 2026, 10:42 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
বিএসসিপিএলসির নতুন এমডি তারঘীবুল ইসলাম নজরুলের মানবতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে আলোকিত করার আহ্বান সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঢাকায় শুরু হলো ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার সাজেক অবরোধ: পাঁচ দাবির চারটিতে সমঝোতা, দ্রুত অবরোধ তোলার আশা বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশি কর্মীরা: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ভারতের ম্যাচের দিন আইপিএল নিলাম রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বেড়েছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা রেলের ৩ হাজার একর জমি বেদখলে, সংসদীয় কমিটিতে তথ্য বর্ণাঢ্য আয়োজনে বেরোবি সাংবাদিক সমিতির এক যুগপূর্তি উদযাপন

এই সংসদে ফ্যাসিস্টের দোসর, খুনির কোনো দোসর যেন বক্তব্য রাখতে না পারে: জামায়াত আমির

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, March 12, 2026
  • 227 Time View

নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের শুরুতেই বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন।

প্রথা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। ওয়াক আউট শেষে সংসদে সাংবাদিক সামনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের দোসর, খুনির কোনো দোসর যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।’

রাষ্ট্রপতি তিনটি অপরাধে অপরাধী বলে দাবি করেছেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট তিনটা কারণে অপরাধী। তার বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না। প্রথম কারণ, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন।

দ্বিতীয়ত, তিনি ২০২৪ সালের আগস্টের ৫ তারিখ তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।

তৃতীয় কারণ হিসেবে জামায়াত আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছেন। নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, এতে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবে তারা সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হবেন। একই দিনে উভয় শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন। এই শপথ দুটি আমরা নিলেও সরকারি দল নেয়নি।

রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা। তিনি সেই অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছেন। এখানেও তিনি অপরাধ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘স্পিকারের কাছে নিবেদন থাকবে, কোনো ফ্যাসিস্ট বা তার দোসর যেন বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com