October 1, 2026, 9:51 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে ৬৫ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, গ্রেপ্তার ১ খালে আটকা পড়া এক হাঙর নিয়ে শহরজুড়ে মাতামাতি, পর্যটকের ভিড় রাড্ডা হামলায় নাম, পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী বাসের ভেতরে সন্তান প্রসব, উপহার গেল নবজাতকের বাড়িতে কক্সবাজারে হোটেলের শৌচাগার থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ৩ মাস ধরে নিখোঁজ স্ত্রী, সন্ধান মিলল কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিওতে দৌলতপুর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলি; নিহত ১ মা গৃহপরিচারিকা, থাকেন ভাড়া বাসায়, স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে নিয়োগ চলন্ত বাসে শিশুর জন্ম, মা-ছেলের আজীবন ভাড়া ফ্রি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ছাত্রকে শূন্যে তুলে আছাড় দিলেন সহপাঠীর ‘অভিভাবক’

কক্সবাজারে হোটেলের শৌচাগার থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, October 1, 2026
  • 12 Time View

কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে কুলছুমা আকতার নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্ট নামের ওই হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষের শৌচাগার থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কুলছুমা জেলার ঈদগাঁও উপজেলার ভাদিতলা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল ২৫ বছর। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং নিহতের গলা কেটে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় ওই হোটেলের কক্ষের ভেতরেই তাঁর আড়াই বছরের একটি ছোট শিশুও উপস্থিত ছিল।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী মো. হারুণের সঙ্গে কুলছুমার দীর্ঘদিন ধরে বনিবনা হচ্ছিল না। স্বামী-স্ত্রীর এই বিরোধের জেরে কুলছুমা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলাও দায়ের করেছিলেন। সম্প্রতি ওই মামলার শুনানির নির্ধারিত দিন থাকায় কুলছুমা ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরে আসেন এবং ওই আবাসিক হোটেলে ওঠেন। হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন এক ব্যক্তি স্বামী পরিচয় দিয়ে কুলছুমার সঙ্গে ওই হোটেলে আসেন এবং তাঁরা দুজনে ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেলের খাতায় ওই ব্যক্তির নাম আরফান হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

পরে রাতে হোটেল কক্ষের শৌচাগারে কুলছুমার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্বামী পরিচয়ে সঙ্গে থাকা সেই ব্যক্তিই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং তিনি সুযোগ বুঝে হোটেল থেকে পালিয়ে গেছেন। ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তির সঠিক পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক দল ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং ঘটনার মূল সত্যতা জানতে ওই হোটেলের দুই কর্মচারীকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ আশা করছে, খুব দ্রুতই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com