October 29, 2026, 2:52 am
সর্বশেষ সংবাদ:
পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তদারকিতে নতুন সরকারি দপ্তর গড়ছে অস্ট্রেলিয়া

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, July 15, 2026
  • 108 Time View

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার তদারকির জন্য নতুন একটি সরকারি দপ্তর গঠন করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। সরকারের লক্ষ্য, একদিকে এআই খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, অন্যদিকে এই দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা।

নতুন এই দপ্তরের নাম হবে ‘অফিস অব এআই’। এটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও মন্ত্রিসভার বিভাগের অধীনে পরিচালিত হবে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করে এআই-সংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে এই দপ্তর। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বুধবার সিডনিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।

তার ভাষণে অ্যালবানিজ বলবেন, এত দিন সরকার এআই-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও খাত আলাদাভাবে মোকাবিলা করেছে। তবে এখন সময় এসেছে পুরো প্রযুক্তি খাতকে একটি সমন্বিত নীতির আওতায় আনার। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলবেন, অতীতে অস্ট্রেলিয়া যেমন ১৯২০-এর দশকে বেসামরিক বিমান চলাচল এবং ১৯৯০-এর দশকে জিনতত্ত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির জন্য সমন্বিত নীতি তৈরি করেছিল, তেমনি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও একই ধরনের জাতীয় নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সরকারের দাবি, নতুন এই উদ্যোগ বিশ্বে প্রথম ধরনের একটি ব্যবস্থা।

এর মাধ্যমে এআই-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুমোদন প্রক্রিয়া আরো স্পষ্ট ও সহজ হবে। পাশাপাশি আইন ও নীতিমালা মেনে চলার প্রক্রিয়াও সহজ হবে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিনিয়োগের জন্য অস্ট্রেলিয়া আরো আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে বলে সরকারের আশা। অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে নিজেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে শীর্ষস্থানীয় দেশ এবং তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টারের বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। তবে একই সময়ে বিভিন্ন খাতে এআইয়ের ব্যবহার দ্রুত বাড়ায় এই প্রযুক্তির ওপর আরো কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবিও জোরালো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়লে অনেক মানুষের চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। একই সঙ্গে তথ্যকেন্দ্র পরিচালনায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি খরচও বাড়তে পারে।
এ ছাড়া এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা এবং মেধাস্বত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পরিবেশবিদদের উদ্বেগ, বিপুলপরিমাণ বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারকারী ডেটা সেন্টারের সংখ্যা বাড়লে পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই। এখন পর্যন্ত দেশটি গোপনীয়তা সুরক্ষা আইন, ভোক্তা সুরক্ষা আইন এবং স্বেচ্ছাভিত্তিক এআই নৈতিকতা কাঠামোর মাধ্যমে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। নতুন ‘অফিস অব এআই’ গঠনের মাধ্যমে এআই ব্যবস্থাপনায় আরো সমন্বিত ও কার্যকর কাঠামো তৈরি করতে চায় অস্ট্রেলিয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com