July 1, 2026, 4:43 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে শাহ আবদুল করিমের ছেলের মামলা, ২০ কোটি ক্ষতিপূরণ দাবি

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, November 20, 2025
  • 130 Time View
161

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা জেলা জজ আদালতে শাহ আবদুল করিমের একমাত্র পুত্র ও কপিরাইট উত্তরাধিকারী শাহ নূর জালাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহীসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও আইনজীবীর নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণফোন কোনো ধরনের অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়াই শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটযুক্ত গানগুলো পুনরুৎপাদন, প্রচার, ডিজিটাল মাধ্যমে আপলোড এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে। বিশেষভাবে ‘রেশমা বালুচ’ এবং ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ — এই দুটি গান ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট এ বিষয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ, কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের জন্য দুঃখপ্রকাশ এবং প্রতিটি গানের জন্য ১০ কোটি টাকা করে মোট ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়। তবে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর বা সন্তোষজনক প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহ নূর জালালের আইনজীবী রাজিব আহমেদ বলেন, শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয়— এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রেশমা বালুচ’ ও ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ গান দুটি গ্রামীণফোন অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করেছে, যা কেবল আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং শিল্পীর অসম্মানও।

বাদী শাহ নূর জালাল বলেন, আমরা গ্রাম্য মানুষ, বড় কোম্পানির নিয়ম বুঝি না। কিন্তু বাবার গানের কপিরাইট আমাদের। অনেকে গান করেন, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যখন বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক কাজে গান ব্যবহার করে, তখন তাদের অনুমতি নেওয়া উচিত এবং আমাদের ন্যায্য সম্মান, অধিকার ও অংশ দেওয়া উচিত। গ্রামীণফোন তা করেনি। তাই আমরা মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com