October 26, 2026, 8:05 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
প্রযুক্তি, কৃষি ও হালকা প্রকৌশল খাতে জাপানি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ চুক্তিতে অর্থসচিব থাকছেন খায়েরুজ্জামান মজুমদার ভারমুক্ত হয়ে এনবিআরের চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব মাহাঃ ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ পরাজিত শক্তির সঙ্গে আঁতাতকারীরা জনগণের কাছে চিহ্নিত হবে: রিজভী পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: প্রচারণা শেষ আজই, বিজিবি মোতায়েন বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ জেলা শহরে কত পুকুর, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তদন্তের দাবি

ড. ইউনূসকে রাজপথে নামতে বললেন নাহিদ

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, April 5, 2026
  • 190 Time View

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে যোগ দিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের নীরব থাকা উচিত নয়। তাঁরও রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

গতকাল শনিবার ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ বলেন, যারা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে ছিলেন ড. ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তারা এই অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন। এখন যে বাতিল হচ্ছে, এগুলো নিয়ে তাদের কথা বলতে হবে। ড. ইউনূসকে মুখ খুলতে হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, উপদেষ্টারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেছেন। এখন এই অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কোনো সংস্কার হবে না, অথচ তারা কোনো কথা বলবেন না, ক্যারিয়ারে ফিরে যাবেন–এটা হবে না। জনগণের কাঠগড়ায় তাদের দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে আমরা তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) হাতে ক্ষমতা দিয়েছিলাম। তারা আমাদের নিরাশ করেছেন। কিন্তু যতটুক অর্জন হয়েছে, সেই অর্জন ধরে রাখতে তাদেরও মাঠে নামতে হবে। ড. ইউনূসকেও তিনি রাজপথে বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানান।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সংস্কারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে যা কিছু হচ্ছে, এটা অপ্রত্যাশিত নয়। এই রাজনীতি ৫ আগস্টের পর থেকে ঐকমত্য কমিশন থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্টের পর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম নতুন সংবিধান। বিএনপি বলেছিল, তারা নির্বাচন চায়। তারা পুরোনো সবকিছুকে রেখেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমরা বলেছিলাম, দেশের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের পর বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাওয়ার পর আর কিছুকে তোয়াক্কা করছে না। তিনি বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সচিবালয় অধ্যাদেশ তারা বাতিল করছে। অথচ তাদের অনেক নেতাই গুমের শিকার হয়েছেন। এই গুমের অধ্যাদেশও তারা বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন। এই অধ্যাদেশ আইনে পরিণত না হলে বিএনপি কলঙ্কমুক্ত হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com