October 22, 2026, 1:24 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ভারত সফরে রুবিও, কেন জামনগরে নজর যুক্তরাষ্ট্রের রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় বিএনপির এমপি চাঁদের নাম, বিতর্ক তুঙ্গে ‘নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’ চট্টগ্রাম বন্দর: ইজারার চুক্তি সংসদে আলোচিত হলো না কেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ২০১৩ সালের গণআন্দোলনের ইতিহাস সংকলনের উদ্যোগ দাম্মাম রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে আসামে মুসলিমদের ১১০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার নিন্দা নাহিদ ইসলামের ‘তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিলে বাস্তবায়ন করেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা তার প্রমাণ’ শৈশবের দুর্গাপূজা: আনন্দের এক অন্য জগৎ ভেপিং ছেড়েছেন সেলেনা, বড় ক্ষতি হয়েছে জানালেন নিজেই

‘নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, October 22, 2026
  • 16 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির নেপথ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বিদ্যমান নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই চার দেশের কৌশলগত ঐক্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। বিশেষ করে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা এবং বহুমুখী হুমকির মুখে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এই যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নীতিগবেষণা কেন্দ্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বিশিষ্ট প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রশিদ আল-মোহান্নাদি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই চুক্তির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। তার মতে, চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বর্তমানে যেসব সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, তার বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজতেই এই সামরিক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আঞ্চলিক দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন তিনি।

নিরাপত্তা ঝুঁকির পাশাপাশি এই উদ্যোগের অর্থনৈতিক সুফল রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এই বিশ্লেষক। যেসব দেশের নিজস্ব শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে, তারা মূলত একই মানের সামরিক সরঞ্জাম তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদন করতে পারে। এর ফলে যেসব দেশের নিজস্ব বড় সামরিক শিল্প নেই, তারাও কম ব্যয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি অর্জনের সুযোগ লাভ করে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক দিক থেকেও বেশ লাভজনক।

প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর ক্ষেত্রেও এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে যুক্তরাজ্য কিংবা ফ্রান্সের মতো পশ্চিমা শক্তির মুখাপেক্ষী না থেকে নিজেদের অঞ্চলের ভেতরেই সামরিক চাহিদা মেটানোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই কৌশলগত পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আরও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার পাশাপাশি বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com