ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দেশের নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি সম্প্রতি এক বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে, স্বাধীন দেশের যেকোনো নাগরিকের যেকোনো মুহূর্তে বিদেশে যাওয়ার এবং পরবর্তীতে পুনরায় দেশে ফিরে আসার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আইন বা সংবিধানই প্রত্যেক নাগরিককে এই মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা প্রদান করেছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার বিষয়টি অত্যন্ত মৌলিক এবং এটি সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত। সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যে মূলত সেই আইনি বাধ্যবাধকতা ও নাগরিক স্বাধীনতার দিকটিই পুনরায় জোরালোভাবে উঠে এসেছে। অতীতে অনেক সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নাগরিকদের ভ্রমণ স্বাধীনতায় নানা প্রশ্ন উঠলেও, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী এ ধরনের চলাচলের অধিকার অপরিবর্তনীয় ও সর্বজনীন।
সংবিধানের এই নির্দেশনার ফলে দেশের কোনো নাগরিককে অযথা তার বিদেশ গমন বা স্বদেশে প্রত্যাবর্তনে আইনি জটিলতার মুখোমুখি করা যায় না, যদি না সুনির্দিষ্ট কোনো আদালত বা আইনের নির্দেশ থাকে। রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে মূলত এই আইনি সুরক্ষার বিষয়টিই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যা সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। বিশেষ করে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নাগরিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এ ধরনের বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে এ ধরনের সাংবিধানিক অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়াটা দেশের আইনের শাসন ও নাগরিক স্বাধীনতা চর্চাকে আরও সুদৃঢ় করে। আইনের শাসন বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এই ধরনের স্বচ্ছ ধারণার প্রচার অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে নাগরিকরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে যেমন সচেতন হন, তেমনই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলতাও নিশ্চিত হয়।