October 14, 2026, 10:54 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
রোডস: সমুদ্র, ইতিহাস আর কিছু জীবন্ত স্মৃতি ৮০ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে পাঠাল ড্যাফোডিল বন্ধুসভা মিট বাংলাদেশি সায়েন্টিস্ট অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী জেবা ইসলাম সেরাজ সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না কেন, কী বলছেন ব্যবসায়ীরা কাল থেকে শুরু ‘ঐতিহ্য বুক কার্নিভাল ২০২৬’ পর্যাপ্ত ঘুমের পরও সকালে ক্লান্তি লাগে কেন অ্যান কারসনের নোবেল বিজয়: ধ্রুপদি ঐতিহ্যের সমকালীন রূপকার পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সফিকুল, সা. সম্পাদক মুশতাক যৌনকর্মীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধান: বিশেষজ্ঞদের ভাবনা | পর্ব–০২

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও সকালে ক্লান্তি লাগে কেন

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 14, 2026
  • 17 Time View

স্বাস্থ্য ডেস্ক: রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা নির্বিঘ্নে ঘুমানোর পরেও অনেকের সকালে বিছানা ছাড়তে তীব্র অনীহা দেখা দেয়। চোখ খুললেও শরীর ভারী মনে হওয়া এবং কাজে মন না বসার মতো সমস্যাগুলোর পেছনে রয়েছে নানা শারীরিক ও মানসিক কারণ। কতক্ষণ সময় ধরে ঘুমানো হলো তার চেয়ে বড় বিষয় হলো সেই ঘুম কতটুকু গভীর ও মানসম্মত হয়েছে। ঘুমের গুণগত মান ঠিক না থাকলে তা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ও অবসাদের সৃষ্টি করতে পারে।

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার পেছনে স্লিপ অ্যাপনিয়া, ইনসোমনিয়া বা নারকোলেপসির মতো বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত জটিলতা দায়ী থাকতে পারে। স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয়, যা তাদের অজান্তেই ঘুমের ধারাবাহিকতা নষ্ট করে। এ ছাড়া থাইরয়েডের সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কিংবা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির কারণেও সকালে শরীর ক্লান্ত থাকতে পারে। নিজে নিজে ভিটামিন বা আয়রন খাওয়ার বদলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শারীরিক পরীক্ষা করানোই এক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ।

শোবার ঘরের পরিবেশ এবং প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসও আমাদের ঘুমের গভীরতাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। অতিরিক্ত আলো, কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ কিংবা বিছানায় শুয়ে দীর্ঘ সময় মুঠোফোন ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কে মেলাটোনিন হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত ভারী খাবার খাওয়া কিংবা বিকেল বা সন্ধ্যার পর চা ও কফি পান করার অভ্যাসও ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ, কাজের উদ্বেগ কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তাভাবনাও রাতে গভীর ঘুম হওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া, শোবার ঘর অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখা এবং ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে আনার মাধ্যমে ঘুমের মান উন্নত করা সম্ভব। তবে সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করার পরও যদি সকালে অতিরিক্ত ক্লান্তি ও অবসাদ কাটতে না চায়, তবে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com