July 1, 2026, 11:41 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

বাংলাদেশ খেলতে না গেলে ৪০ কোটি রুপি ক্ষতি হতে পারে ভারতের

Reporter Name
  • Update Time : Monday, January 5, 2026
  • 124 Time View
139

স্পোর্টস ডেস্ক:
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচই ভারতে খেলার কথা বাংলাদেশের। তবে সম্প্রতি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ব্যাপক অবনতি হওয়ায় অনিশ্চিত এই ম্যাচগুলো। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতের মাটি থেকে নিজেদের ম্যাচ সরিয়ে নিতে আইসিসিকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমন পরিস্থিতিতে ভারত থেকে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া হলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আসন্ন আসরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার কথা ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। তবে আসর শুরুর আগেই তাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিতে কলকাতাকে নির্দেশ দেয় বিসিসিআই। বোর্ডের নির্দেশ মেনে বাংলাদেশি এই পেসারকে বাদ দিয়েছে ফ্যাঞ্চাইজিটি।

নিরাপত্তা শঙ্কায় মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর দেশটিতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে চায় না বিসিবি। এমনকি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয় এবং দল না পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আইপিএলের সবধরনের সম্প্রচার অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে বাংলাদেশের বার্তা পেয়ে ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে আসরের সহ আয়োজক শ্রীলঙ্কার মাটিতে আয়োজন করার ব্যাপারে ইতিবাচক আইসিসি, এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকেট ভিত্তিক ভারতীয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ। যদি শেষ পর্যন্ত সূচি বদলাতে হয় তাহলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে ভারত।

পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুযায়ী কলকাতা ও মুম্বাইতে হওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ। ইডেনে দর্শক ধারণক্ষমতা ৬৩ হাজার। আর ওয়াংখেড়ের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ৩৩ হাজার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা ছিল। বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর টিকিটের দাম রাখা হয়েছে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ৩০০ রুপির মধ্যে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টিকিটের মালিকানা আইসিসি বিজনেস কর্পোরেশনের। যেহেতু ভারতীয় বোর্ড কেবল বিশ্বকাপের আয়োজক, ফলে টিকিট বিক্রির পুরো অর্থ তারা পাবে না। তবে ম্যাচ-ডে সারপ্লাস (উদ্বৃত্ত আয়), স্থানীয় স্পনসরশিপ এবং হসপিটালিটি ডিমান্ড (ভিআইপি বক্স) থেকে ভালো টাকা আয় করার কথা ছিল তাদের।

যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরিয়ে নেয়া হয় শ্রীলঙ্কায় এবং কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অন্য কোনও ম্যাচ না দেয়া হয়, সে ক্ষেত্রে টিকিট বিক্রি বাবদ সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ হতে পারে প্রায় ১০ কোটি থেকে ৪০ কোটি রুপি। (যদি ৬০–৯০ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি এবং টিকিটের গড় দাম ৫০০–১,৫০০ রুপি ধরা হয়)। কিন্তু বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর পরিবর্তে একই ভেন্যুতে অন্য ম্যাচ দেয়া হলে ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমে আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com