October 26, 2026, 2:36 am
সর্বশেষ সংবাদ:
পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত বাড়ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিস্তার ঢাকায় ৫ নভেম্বর এআই বিজনেস সামিট, অংশ নেবে শতাধিক স্টার্টআপ অসংক্রামক রোগের বড় কারণ খাবারে ভেজাল জাবিতে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি, মানতে হবে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা জমানো খাবারে বানানো কেকেও ছাড় নেই, বন্দিদের জীবন নরক বানানোর হুমকি বেন গভিরের জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করলেন বিমান বাহিনী প্রধান পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, জ্যেষ্ঠতায় ওপরে থাকবেন ২০১২ সাল পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা তারেক রহমানের ভালোর জন্যই আমরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ চাইছি: নাহিদ ইসলাম ইউএনজিআইএসের পরামর্শক গোষ্ঠীর সদস্য হলেন বজলুর রহমান ১০ দিনে ৪ মহাদেশে ৪ নির্বাচন, বড় পরীক্ষার মুখে গণতন্ত্র

বিএনপির কাউন্সিল শিগগির, মহাসচিব পদে আলোচনায় যারা

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, July 25, 2026
  • 92 Time View

বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল নিকট আসার সঙ্গে সঙ্গে দলের পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন—এ প্রশ্নটি রাজনৈতিক মহলে এবং দলের অভ্যন্তরীণ চক্রে তীব্রভাবে আলোচনা চলছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি দলের প্রথম জাতীয় কাউন্সিল হবে বলেও জানায় সংশ্লিষ্টরা। নীতিনির্ধারক, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় বোঝা গেছে, উল্লেখযোগ্যভাবে নাম প্রকাশ না করেই সম্ভাব্য কয়েকজন নেতাকে নিয়ে ভিতরেই নীরব আয়োজন চলছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনেক সময় শেষ মুহূর্তে ঘোষণা করা হয়—এই সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য এবারও কার্যকর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে ভেতরে কোনো প্রশ্ন নেই; তবু মহাসচিব পদের গুরুত্ব কম নয়। সরকার-দলের মধ্যে সমন্বয় রাখা, নীতি বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও জোট রাজনীতি চালানো, সংগঠন সক্রিয় রাখা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখাটা প্রধানত মহাসচিবের দায়িত্বে পড়ে—এই কারণেই পদটি দলের অভ্যন্তরীণ শাসন কাঠামোয় খুবই সংবেদনশীল। সূত্র বলছে, কেবল জ্যেষ্ঠতাই নয়—সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থা সব মিলিয়েই সিদ্ধান্ত নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।

আলোচনায় যারা এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে তাদের মধ্যে পাঁচ নেতার নাম সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে: রুহুল কবির রিজভী (দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব—সাংগঠনিক নেতৃত্ব ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে), সালাহউদ্দিন আহমেদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য—সরকার ও দলের সমন্বয়ে দক্ষ বলে মনে করা হয়), আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য—অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের অভিজ্ঞতা রয়েছে), হাবিব-উন-নবী খান সোহেল (যুগ্ম মহাসচিব—কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাজ ও মাঠ রাজনীতিতে দীর্ঘ সম্পৃক্ততা) এবং মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী— প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী অভিজ্ঞতা)।

দলীয় সূত্ররা বলছেন, মহাসচিব পদ নির্বাচন দুই ধরণের সমীকরণের ওপর নির্ভর করতে পারে: এক হলো সরকার-দলের সমন্বয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া; আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে সরকার ও দলের দায়িত্ব আলাদা রেখে পূর্ণকালীন সাংগঠনিক নেতা রাখা। বর্তমানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব পালন করছেন, তবে উত্তরসূরিকে ঘিরে জল্পনা চলছে। একই সঙ্গে কাউন্সিলে মহাসচিব ছাড়াও স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ অন্যান্য শীর্ষ পদে বদল দেখা দিতে পারে বলে দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়। কেন্দ্রীয় নেতা রফিক শিকদার বলেছেন সিদ্ধান্তে যোগ্যতা ও দলের প্রয়োজন বিবেচ্য হবে, আর স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান জানিয়েছেন—আগামী কাউন্সিলে মহাসচিব নির্ধারণ হবে। দলের শেষ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ, এবং এখন ওই কর্মসূচি পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি চলছে যদিও নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com