October 15, 2026, 2:52 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে শক্তিশালী করতে চায় সরকার: এ্যানি মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুক্রবার ৪৫তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সঙ্গে সহযোগিতার আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার ব্যবহার বাড়াতে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার, খরচ নিয়ন্ত্রণের আশা দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি হেলথ ইন্স্যুরেন্সের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় ১–২ লাখ টাকা গ্রাহকেরা পাচ্ছেন বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার ব্যবহার বাড়াতে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার, খরচ নিয়ন্ত্রণের আশা

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, October 15, 2026
  • 14 Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং প্রিপেইড মিটারের জনপ্রিয়তা বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই ব্যবস্থার আওতায় রিচার্জ করা মোট অর্থের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ ছাড় বা রিবেট দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকরা আগের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী খরচে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারছেন এবং প্রিপেইড মিটারের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই আধুনিক মিটার ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত সহজ হয়ে উঠেছে।

প্রথাগত পোস্টপেইড মিটারের তুলনায় প্রিপেইড মিটারে নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা। পোস্টপেইড মিটারে মাস শেষ হওয়ার আগে সুনির্দিষ্ট বিলের পরিমাণ জানা সম্ভব হয় না, ফলে ব্যয়ের হিসাব রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। পক্ষান্তরে, প্রিপেইড মিটারে ব্যালেন্স ও খরচের হিসাব তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যায় বিধায় গ্রাহকরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী রিচার্জ করে খরচ কমিয়ে আনতে পারেন। এছাড়া মিটার রিডিং সংগ্রহের জন্য বাড়ি বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন না থাকায় বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল ও যাতায়াত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য বর্তমানে বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যম উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার ভেন্ডিং স্টেশন এবং ব্যাংকের বুথ থেকেও খুব সহজেই ব্যালেন্স রিচার্জ করা সম্ভব হয়। ব্যালেন্স শেষ হয়ে আসার সময় মিটারে সতর্কসংকেত বেজে ওঠে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ‘ফ্রেন্ডলি আওয়ার’ বা জরুরি ক্রেডিট সুবিধার মাধ্যমে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু রাখা যায়। ছুটির দিনগুলোতেও বিদ্যুৎ সেবা অব্যাহত থাকায় ভাড়াটিয়া বা সরকারি আবাসনের বাসিন্দারা নানা ধরনের জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, প্রিপেইড মিটার চালুর পর থেকে তাদের মধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। মাস শুরুর আগেই রিচার্জ করে সেই অনুযায়ী হিসাব করে চলায় মাস শেষে হঠাৎ বড় অঙ্কের বিল আসার দুশ্চিন্তা আর থাকে না। এদিকে, প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম। তিনি মনে করেন, বিতরণ সংস্থাগুলোর প্রচার ও হটলাইনের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনে থাকা প্রিপেইড মিটারসংক্রান্ত যেকোনো সংশ দূর করা সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com