October 28, 2026, 9:30 am
সর্বশেষ সংবাদ:
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 28, 2026
  • 17 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন রাজনীতির দীর্ঘ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দেশটির প্রেসিডেন্টরা ক্ষমতার শেষ সময়ে বা সংকটময় মুহূর্তে প্রায়ই নাটকীয় সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন। এর একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ পাওয়া যায় ১৯৯২ সালে, যখন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ তার মেয়াদের একেবারে শেষ মুহূর্তে দুর্ভিক্ষপীড়িত সোমালিয়ায় প্রায় ২৮ হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছিলেন। এ ধরনের বড় সিদ্ধান্তগুলো সাধারণত অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ সামলাতে কিংবা বৈশ্বিক অঙ্গনে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে অত্যন্ত সুকৌশলে নেওয়া হয়ে থাকে।

বর্তমান মার্কিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং তার অনুসারীদের প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে। অনেকেই মনে করেন, নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে ব্যর্থ হলেও ট্রাম্পের আগ্রাসী রাজনৈতিক কৌশল এবং তার অনুগত কর্মী বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে গভীর প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে ফলাফল যে দিকেই যাক না কেন, রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে ও বাইরে ট্রাম্পের নেতৃত্ব এবং তার রাজনৈতিক অনুসারীদের প্রভাব সহজে খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ক্ষমতার পালাবদল বা নির্বাচনী পরাজয় মানেই কোনো নেতার পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়া নয়, বরং নতুন ছকে নতুনভাবে আবির্ভূত হওয়ার সুযোগ। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার রাজনৈতিক দর্শনের সমর্থকরা বরাবরই মূলধারার গণমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়ে নিজেদের জনসমর্থন ধরে রেখেছেন। ফলে নির্বাচনকেন্দ্রিক সাময়িক ধাক্কা বা পরাজয় তাদের দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক পরিকল্পনা কিংবা প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টাকে থমকে দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ট্রাম্পের এই প্রভাব আগামী দিনে দেশটির অভ্যন্তরীণ নীতি নির্ধারণ এবং নির্বাচনী সমীকরণকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতিতে আমেরিকার ভূমিকা এবং অভ্যন্তরীণ মেরুকরণের যে ধারা বর্তমানে দৃশ্যমান, তাতে ট্রাম্প ফ্যাক্টরটি দীর্ঘ সময় ধরেই একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মার্কিন রাজনীতির এই গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং এর পরবর্তী পরিণতি কী হতে পারে, তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত প্রকাশ করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com