October 7, 2026, 5:46 am
সর্বশেষ সংবাদ:
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: এক বছরে দারিদ্র্যের ফাঁদে আরও ২১ লাখ মানুষ লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চায়নের সুযোগ শেষ হচ্ছে আজ বিদেশি অনুদানে টান: অর্থায়ন ঝুঁকিতে ২,২০০ এনজিও ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে ইসরায়েলে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে মিয়ানমারের ১০ হাজার নাগরিককে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া তরুণদের মধ্যে ক্যানসার আক্রান্তের হার বাড়ছে, কারণ কী মেসির বিদায়ী ম্যাচ: আবেগে ভাসছে আর্জেন্টিনা রেলওয়ের প্রস্তুতি: পূজায় বিশেষ ট্রেন, বিভিন্ন ট্রেনে সংযুক্ত হবে কোচ মেসির বিদায় বেলায় আপ্লুত নেইমার, ‘তোমার সঙ্গে ইতিহাসের অংশ হতে পারা সম্মানের’

মিয়ানমারের ১০ হাজার নাগরিককে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 7, 2026
  • 15 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারের প্রায় ১০ হাজার নাগরিককে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি অভিবাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন কড়াকড়ি এবং নিয়মিত অভিযانের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে কুয়ালালামপুর কর্তৃপক্ষ। বৈধ কাগজপত্র না থাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় দেশটিতে অবস্থান করার অভিযোগে এসব বিদেশি নাগরিককে নিজ দেশে পুশব্যাক করা হয়।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মালয়েশিয়ার মাটিতে প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার মিয়ানমারি নাগরিক শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত, যারা দশকের পর দশক ধরে নিজ দেশ ছেড়ে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়ে আসছেন। তবে মালয়েশিয়া সরকার দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ অভিবাসী সমস্যা সমাধানে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে চলেছে।

এর আগে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অভিবাসন বিভাগ বারবার জানিয়েছিল যে, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকেই দেশটিতে থাকতে দেওয়া হবে না। এই নীতির বাস্তবায়ন হিসেবেই সম্প্রতি দফায় দফায় মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর এই বড় পদক্ষেপটি নেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তরফ থেকে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও মালয়েশিয়া সরকার তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনের শাসন বজায় রাখার যুক্তিতে অনড় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারে চলমান রাজনৈতিক সংঘাত ও গৃহযুদ্ধের কারণে সে দেশের নাগরিকদের জন্য এই প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে, মালয়েশিয়া সরকারের দাবি—দেশের জনমিতি ও নিরাপত্তার স্বার্থে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতে এই সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং জাতিসংঘের পক্ষ থেকে নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com