October 16, 2026, 11:29 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
পানির ট্যাংকের ওপর লক্ষ্মী প্যাঁচার সংসার—নিউইয়র্কে পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ কেন হারিয়ে যাচ্ছে নকশা আঁকা টমটম গাড়ি শাঁখামুটি, গন্ধগোকুলের বিশাল অবয়ব দর্শনার্থীদের কী মনে করিয়ে দিচ্ছে বিমানবন্দরে প্রবাসী হয়রানি বন্ধ না হলে রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুমকি থ্রাস্টার প্রযুক্তির উড়ন্ত গাড়ি আনছেন ইলন মাস্ক হারিয়ে যাচ্ছে সুর, বদলে যাচ্ছে পেশা জুলাইয়ের নেতাদের রাজনৈতিক দল গঠন ভুল ছিল: দিলারা চৌধুরী ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি বিদেশে উচ্চশিক্ষার খোঁজে ‘স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ারে’ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় গ্রামীণ জনপদে ঘরে ঘরে ডায়াবেটিসের চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে

শাঁখামুটি, গন্ধগোকুলের বিশাল অবয়ব দর্শনার্থীদের কী মনে করিয়ে দিচ্ছে

Reporter Name
  • Update Time : Friday, October 16, 2026
  • 11 Time View

ডেস্ক রিপোর্ট: ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার সোনাপাতিলা গ্রামের একটি পুকুরপাড়ে সম্প্রতি গ্রামীণ শিল্পীদের চমৎকার এক শিল্পকর্মের দেখা মিলেছে। সেখানে স্থানীয় প্রায় অর্ধশত মানুষ মিলে তৈরি করেছেন শাঁখামুটি ও গন্ধগোকুলের মতো বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর বিশাল অবয়ব। পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত এই প্রাণীগুলোর চমৎকার রূপায়ণ স্থানীয় এলাকাবাসীসহ দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। মাটির তৈরি এসব শিল্পকর্ম গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে আবার নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে সবার মনে।

এই অনন্য সৃজনশীল কর্মের পেছনে রয়েছে স্থানীয় সাধারণ মানুষের যৌথ প্রচেষ্টা। বিশেষ করে এই শিল্পকর্ম তৈরিতে এলাকার নারীরাই সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। শিল্পীদের নিখুঁত হাতের ছোঁয়া ও শৈল্পিক ভাবনায় প্রাণীগুলোর অবয়ব বেশ জীবন্ত ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। মাটি এবং স্থানীয় উপাদান ব্যবহার করে তারা যেভাবে এই বিশাল আকৃতিগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রশংসার জন্ম দিয়েছে।

গ্রামীণ নারীদের এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়াচ্ছে এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভার বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে। গৃহস্থালীর কাজের ফাঁকে তারা যেভাবে এই শিল্পকর্মে সময় দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই কাজের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন যে, সুযোগ পেলে গ্রামীণ জনপদের মানুষও শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখতে সক্ষম।

এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন কৌতূহলী দর্শনার্থী ও প্রকৃতিপ্রেমীরা। বন্যপ্রাণীর এই বিশাল অবয়বগুলো শুধু বিনোদনের খোরাক জোগাচ্ছ না, বরং পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, সরকারি বা বেসরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই শিল্পীরা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com