প্রাক্তন সতীর্থের শেষ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রশিদ খান-মোহাম্মদ নবিরা। এমনকি তারা কাঁধে করে বইলেন শাপুরের কফিনও।
প্রাণঘাতী ‘হেমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস’ (এইচএলএইচ) রোগে আক্রান্ত হন শাপুর।
বুধবার জাদরানের দেহ পৌঁছায় কাবুলে। বিমানবন্দর থেকেই কফিন কাঁধে তুলে নেন রশিদ-নবিরা। উপস্থিত ছিলেন আফগান ক্রিকেট সংস্থার সদস্য, জাদরানের পরিবার সবাই।
২০০৯ সালে অভিষেক হয় শাপুর জাদরানের। রিফিউজি হয়ে দীর্ঘদিন পাকিস্তানে কাটিয়েছেন। সেই সময় মোহাম্মদ নবি, দৌলত জাদরানদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা শুরু। ২০০৯ সালে আফগানিস্তান যখন প্রথম ওয়ানডে খেলে, সেই দলে ছিলেন শাপুর।
আফগানিস্তানের হয়ে ৪৪টি ওয়ানডেতে ৪৩টি উইকেট এবং ৩৬টি টি-টোয়েন্টিতে ৩৭টি উইকেট পেয়েছিলেন। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই থেমে গেল তার জীবন।