মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে এক বিশাল নিবার্চনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, গাজীপুর শুধু শিল্পনগরী নয়, এটি গার্মেন্টেরও রাজধানী। এই গার্মেন্ট শিল্প বাংলাদেশে নিয়ে আসেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এর মাধ্যমে তিনি ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছিলেন।
তিনি বলেন, খেটে খাওয়া মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, নারী শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার তৈরি করা হবে।
তিনি আহ্বান করেন, আর এসব বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে হবে। আগামী ১২ তারিখে ফজরের পর নয়, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে জামায়াতে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে। যাতে অন্য কেউ ভোট কেন্দ্র দখল করে নিতে না পারে।
গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তব্য দেন দলটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি, ডা. অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মজিবুর রহমান, শাহ রিয়াজুল হান্নান, সাবেক এমপি হাসান উদ্দিন সরকার প্রমুখ।
তারেক রহমানের গাজীপুরে সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যায় ৬টায়। তবে তিনি সভাস্থলে তিনি পৌঁছান রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে। মঞ্চে উঠেন ৫ মিনিট পর রাত ১১টা ৪০ মিনিটে। দীর্ঘ সময় পরে পৌঁছালেও তার বক্তব্য শুনতে ও তাকে দেখতে নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিল লক্ষণীয়। বিশাল রাজবাড়ি মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে জনস্রোত শহরের প্রধান প্রধান সড়ক এমনকি অলিগলি ছড়িয়ে পড়ে। জনতার ভিড়ে বিকেল ৩টার পর বন্ধ হয়ে যায় শহরের প্রধান রাজবাড়ি সড়ক।