September 30, 2026, 10:50 am
সর্বশেষ সংবাদ:
হামলা–ভাঙচুর–দখলের ঘটনায় বিব্রত সরকার জেলা-উপজেলায় চালু হচ্ছে চাকরির নতুন ব্যবস্থা, যেভাবে পাবেন সব তথ্য ইয়ামাল ম্যাজিকে ক্রোয়েশিয়াকে ধসিয়ে দিল স্পেন রাশিয়ায় পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ হৃৎপিণ্ডের প্রতীক এল কোথা থেকে, দেখতে এটি হৃৎপিণ্ডের মতো নয় কেন উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পত্রিকা: ‘অপরাধে জড়ালে দলীয় পরিচয় দেখা হবে না’ আড়ায় ওড়না ঝুলিয়ে শিশু সন্তানকে ফাঁস দেওয়ার চেষ্টা, ভিডিও ভাইরালের পর মা আটক হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি সংগীতশিল্পীকে ৭৪ দোররার সাজা বহাল আইওএস ২৭ আপডেট করেই বিপাকে আইফোন ব্যবহারকারীরা!

হৃৎপিণ্ডের প্রতীক এল কোথা থেকে, দেখতে এটি হৃৎপিণ্ডের মতো নয় কেন

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 30, 2026
  • 14 Time View

ভালোবাসা এবং আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আমরা যে বিশেষ আকৃতিটি ব্যবহার করে থাকি, তা মানুষের আসল হৃৎপিণ্ডের анатоমি বা গঠনের সঙ্গে একেবারেই মেলে না। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী মানবদেহের হৃদপিণ্ডের আকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা হলেও, যুগ যুগ ধরে এই কাল্পনিক প্রতীকটিকেই ভালোবাসার সর্বজনীন চিহ্ন হিসেবে মেনে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়, কেন এই সাংকেতিক রূপটি এত জনপ্রিয় হলো এবং এর পেছনে ঠিক কী ধরনের ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সভ্যতা প্রতীকটির উৎস নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে। গবেষকদের মতে, এই জনপ্রিয় আকৃতিটির পেছনে কোনো একটি মাত্র নির্দিষ্ট ঘটনা বা উৎস কাজ করেনি, বরং শতাব্দী ধরে বিভিন্ন সংস্কৃতির হাত ধরে এর বর্তমান রূপটি গড়ে উঠেছে। প্রাচীন গ্রিস ও রোমের বিভিন্ন শিল্পকলায় এই ধরনের পাতার আকৃতির প্রতীক ব্যবহার করার প্রমাণ পাওয়া যায়, যা পরবর্তীতে আজকের এই পরিচিত রূপ ধারণ করে।

উদ্ভিদবিজ্ঞান বা প্রাচীন মুদ্রার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সিলফিয়াম নামক বিলুপ্ত এক প্রকার উদ্ভিদের বীজ বা পাতার আকৃতির সঙ্গে এই প্রতীকের অবিশ্বাস্য মিল রয়েছে। প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা জন্মনিরোধকসহ নানা ঔষধি কাজে এই গাছটি ব্যবহার করত এবং এর বীজকোষটি দেখতে অবিকল বর্তমানের লাভ প্রতীকের মতো ছিল। মুদ্রা এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শনে এই উদ্ভিদের পাতার আকৃতি খোদাই করা থাকত, যা থেকে ধীরে ধীরে মানুষের মনে প্রতীকটির ধারণা পোক্ত হতে শুরু করে।

মধ্যযুগে ইউরোপীয় শিল্পকলা এবং ধর্মীয় পাণ্ডুলিপিতে এই প্রতীকটির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ত্রয়োদশ শতাব্দীর পর থেকে শিল্পীরা মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য এই কাল্পনিক নকশাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। সময়ের পরিক্রমায় শারীরতত্ত্বের সঠিক জ্ঞান অর্জিত হলেও, মানুষের মন থেকে ভালোবাসার এই ঐতিহ্যবাহী ও কাল্পনিক প্রতীকটির আবেদন আজও এতটুকুও ম্লান হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com