শাহ আমানত বিমানবন্দরে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭
Reporter Name
Update Time :
Wednesday, March 18, 2026
73 Time View
শাহ আমানত বিমানবন্দরে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা তীব্রতর হওয়ায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল পুনরায় স্থবির হয়ে পড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পর্যন্ত সর্বমোট ১৩৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় অস্থিরতার কারণে মঙ্গলবার সারাদিন বিমানবন্দরে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা, এয়ার আরাবিয়া এবং সালাম এয়ারের দুবাই, শারজাহ ও মাস্কাটগামী ফ্লাইটগুলো উল্লেখযোগ্য। ৪টি এরাইভাল ও ৩টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল থাকলেও শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবির মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম...
98
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা তীব্রতর হওয়ায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল পুনরায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পর্যন্ত সর্বমোট ১৩৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় অস্থিরতার কারণে মঙ্গলবার সারাদিন বিমানবন্দরে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা, এয়ার আরাবিয়া এবং সালাম এয়ারের দুবাই, শারজাহ ও মাস্কাটগামী ফ্লাইটগুলো উল্লেখযোগ্য।
৪টি এরাইভাল ও ৩টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল থাকলেও শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবির মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা শুরু হওয়ার পর পর্যন্ত ১৩৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এক দিনেই বাতিল হয়েছে ৯টি ফ্লাইট, যার মধ্যে এয়ার আরাবিয়ার সর্বোচ্চ ৪টি এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও সালাম এয়ারের ২টি করে ফ্লাইট রয়েছে।’
ফ্লাইট বাতিলের এই ক্রমবর্ধমান সংখ্যা যাত্রী সাধারণের জন্য চরম ভোগান্তি তৈরি করছে।
সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা কাটছে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।