নেত্রকোণার মদনে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া নবজাতকের পিতৃত্ব নিশ্চিত হয়েছে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে। পরীক্ষায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদীর ডিএনএ নমুনা নবজাতকের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় বিষয়টি আইনত প্রমাণিত হয়েছে।
এর আগে ১১ বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় পুলিশি তদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে শিশুটির সন্তানের জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হলো। বর্তমানে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।