হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং এই জলপথ থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব ভাগাভাগি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, প্রায় এক মাস ধরে আলোচনার পর উভয় দেশ তাদের জলসীমা ও আয়ের অংশীদারত্ব নিয়ে একটি ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এই জলপথটি বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় এই সমঝোতাকে আন্তর্জাতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এই সমঝোতা কার্যকর হওয়ার ক্ষেত্রে আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রকে শর্তসাপেক্ষ সতর্কবার্তা দিয়েছে। ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনায় বাধা সৃষ্টি করছে এবং তারা যদি এই হস্তক্ষেপ বন্ধ না করে ও ইরানের শর্ত মেনে না নেয়, তবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে জাহাজে হামলা এবং পাল্টাপাল্টি অবরোধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছিল।
উল্লেখ্য যে, যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ ব্যবস্থা বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছিল। যদিও ইরান ও ওমানের এই নতুন সমঝোতা কূটনৈতিক সমাধানের একটি নতুন আশার সঞ্চার করেছে, তবুও শেষ পর্যন্ত এই জলপথটি পুনরায় উন্মুক্ত হবে কি না, তা সম্পূর্ণভাবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করছে।