বিশ্বজুড়ে জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এবং তাদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়। ২০১১ সাল থেকে জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পালন করা হয়ে আসছে। এ বছর দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও ভুক্তভোগী পরিবারের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশে বিগত সরকারের শাসনামলে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের গুমের ঘটনা চরম আকার ধারণ করেছিল, যা পরবর্তীতে ‘আয়নাঘর’সহ বিভিন্ন গোপন বন্দিশালার মাধ্যমে সামনে আসে। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে এবং বাংলাদেশ সরকার গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে। এছাড়া গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বিচার পাওয়ার দাবিকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।