October 28, 2026, 11:01 am
সর্বশেষ সংবাদ:
বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন

অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 28, 2026
  • 22 Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যেই গভীর সংকটের মুখে পড়েছিল। বিগত সরকারের আমলে মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয় করা হয়েছে এবং কোনো ধরনের সমীক্ষা ছাড়াই বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করা হয়েছিল। এর ফলে মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তি লাভবান হলেও দেশে কোনো টেকসই কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থার আপত্তি উপেক্ষা করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে অর্থ তছরুপ করা হয়, যার ফলে অর্থনীতি মারাত্মক এক ভঙ্গুর অবস্থার দিকে ধাবিত হয়েছিল।

তৎকালীন সময়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্পে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র সবার সামনে এসেছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংক খাত থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়া এবং তা পরিশোধ না করার প্রবণতা অর্থনীতিকে আরও বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের প্রায় ডজনখানেক সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক লুটপাটের শিকার হয়ে দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। পরিণতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়ে দেশ এক চরম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি দাঁড়ায়।

এমন এক ধুঁকতে থাকা অর্থনীতির হাল ধরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আর্থিক খাতের বিভিন্ন অনিয়ম দূর করার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। তাদের সুনির্দিষ্ট কিছু নীতির ফলে রিজার্ভের পরিমাণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে এবং ব্যাংকিং খাতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরে আসে। নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় অর্থনীতির মৌলিক সূচকগুলোতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল, যা নতুন সরকারের জন্য দেশ পরিচালনার পথ কিছুটা সহজ করে দিয়েছিল।

তবে সম্প্রতি বর্তমান প্রশাসনের কোনো কোনো মন্ত্রীর বক্তব্যে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ধরনের বক্তব্য এবং অর্থনীতির প্রকৃত সংকট আড়াল করার প্রবণতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অথচ দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী জমানার পর একটি বিপর্যস্ত রাষ্ট্র ও অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা যে কতটা জটিল প্রক্রিয়া, তা বর্তমান শাসকরা এখন বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই উপলব্ধি করতে পারছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com