রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করার পর সংবিধান অনুসারে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে দেওয়া হয়েছে ৯০ দিন। সেই নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের কার্যক্রমের সময়সীমা নির্ধারিত হওয়ায় প্রক্রিয়াটি অক্টোবর মাসের মধ্যে শেষ
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন এবং সেই শূন্যতার ফলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব অস্থায়ীকভাবে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ পালন করবেন। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন নাম আলোচনায় এলেও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে—দলীয় নেতৃত্ব
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। তিনি ডাক্তারি ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় সৃষ্টি হওয়া প্রতিবাদ ও চাপের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রশ্ন ফাঁস ধরা পড়ার পর থেকে দিল্লিসহ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনের সময় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন এবং এ কাজের জন্য আলাদা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে না। শনিবার (২৫
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সময় দায়িত্ব গ্রহণ করা ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দিন রাজনীতি বেশ উস্কানিমুখে কাটলো। দেশে রাজনৈতিক বিভিন্ন দল ও মহল থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসে—জামায়াতে ইসলামী
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সময় দায়িত্ব গ্রহণ করা ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দিন রাজনীতি বেশ উস্কানিমুখে কাটলো। দেশে রাজনৈতিক বিভিন্ন দল ও মহল থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসে—জামায়াতে ইসলামী
বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সংক্রান্ত বিষয়ে দল সংবিধানের বাইরে কোনো অগ্রসর সিদ্ধান্ত নেবে না। তিনি স্মরণ করান যে
ঢাকার নানা পত্রিকা আজ শনিবারের প্রথম পৃষ্ঠায় ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে প্রধান স্থান দিয়েছেন। সংবাদগুলোতে বলা হয়েছে এই পদত্যাগ একটি সমঝোতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বিরোধী দল বিএনপির
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংবিধানানুগভাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। স্পিকার যখন রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন তখন জাতীয় সংসদে স্পিকারের দায়িত্বভার সামলাবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার