গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার প্রেক্ষিতে পদত্যাগ করেছেন এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বিকল্পভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেল ৫টা ১ মিনিটে
সদ্য পদত্যাগ করা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন যে তার অসুস্থতাকেই ধরে নিয়েই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের জটিলতা ছিল পদত্যাগের একমাত্র কারণ। মিডিয়ায় তার পদত্যাগকে কেন্দ্র
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। সাহাবুদ্দিন সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন; এনসিপি তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে বিচারপ্রক্রিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করেছে, সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা উচিত। দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। এই ঘটনার পর সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য প্রথমভাবে রাইজিংবিডি প্রকাশ
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সম্পর্কে কোনো রকম বিভ্রান্তি বা অনিশ্চয়তার সুযোগ নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন বিষয়টি স্পষ্ট এবং এতে সংশয়ে পড়ার কোনো কারণ দেখছেন
গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার (২৪ জুলাই) তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি এ পদত্যাগপত্রটি জাতীয় সংসদের স্পিকারকে তুলে দিয়েছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে পদত্যাগপত্র পেশ করার
শ্যামনগরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগ করে রাজনৈতিকভাবে জবাবদিহি করার দাবি জানায়। বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটে যখন সামাজিক
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী, বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। রাইজিংবিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে; তার সঠিক শারীরিক
জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গত জুলাইয়ে জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটে পাঁচ কোটি লোক ৮৪ দফা সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছে এবং সেটিই জনগণের সরাসরি দাবি,