August 11, 2026, 2:36 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
চাঁদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪ বন্ধু পাল্টানো যায়, প্রতিবেশী পাল্টানো যায় না: তথ্য উপদেষ্টা কৃষককে ধরে নিয়ে যাওয়ায় ভারতের দুই নাগরিককে তুলে আনলো গ্রামবাসী বন্ধু পাল্টানো যায়, প্রতিবেশী পাল্টানো যাবে না: জাহেদ উর রহমান ‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই: ডা. জাহেদ বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তায় বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন ‘সাকিব আল হাসান পচে যাওয়া মানুষ’ লন্ডনের রাস্তায় আমিরাতের প্রধানমন্ত্রীকে চরম অপমান! ভিডিও ভাইরাল সপ্তাহে একদিন বিনামূল্যে জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করবে শিক্ষার্থীরা

টাকা বাঁচাতে লেভানদোভস্কিকে গোল করতে মানা করেছিল বার্সা!

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, November 20, 2025
  • 166 Time View
194

লা লিগায় সেই মৌসুমে বার্সেলোনার কাছে শিরোপা নিশ্চিত ছিল অনেক আগেই। গোলের পর গোল করে পিচিচি দৌড়েও বেশ এগিয়ে ছিলেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। ঠিক সেই সময়ই নাকি ঘটেছিল এক বিস্ময়কর ঘটনা—যা ফুটবল দুনিয়ায় এখন নতুন বিতর্ক ছড়াচ্ছে। পোলিশ তারকার নতুন জীবনী ‘Lewandowski. Prawdziwy’ প্রকাশের পর সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যা বার্সেলোনার আর্থিক সংকটকে আরও নগ্ন করে দিয়েছে।

লেখক সেবাস্তিয়ান স্তাশেভস্কির দাবি, ২০২২–২৩ মৌসুমে শেষ দুই ম্যাচ বাকি থাকতে লেভানদোভস্কিকে একটি বিশেষ বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বার্সেলোনার কয়েকজন পরিচালক—যার মধ্যে ছিলেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তাও। তখন লেভানদোভস্কির গোলসংখ্যা ২৩, আর চুক্তি অনুযায়ী ২৫ গোল ছুঁলেই বায়ার্ন মিউনিখকে অতিরিক্ত ২৫ লাখ ইউরো বোনাস দিতে হতো বার্সেলোনাকে।

সেই বৈঠকেই নাকি এক পরিচালক সরাসরি বলেন, ‘রবার্ট, শেষ দুই ম্যাচে তোমার গোল করা বন্ধ রাখতে হবে।’

বইয়ে উল্লেখ রয়েছে—এমন অনুরোধ শুনে স্তব্ধ হয়ে যান লেভানদোভস্কি। দীর্ঘ পেশাদার ক্যারিয়ারে কেউ তাকে গোল না করতে বলেনি কখনোই। শিরোপা জিতেই গেছে দল, পিচিচিও প্রায় নিশ্চিত—তবু এমন প্রস্তাব ছিল তার কাছে কল্পনাতীত। শেষ পর্যন্ত তিনি দুই ম্যাচেই গোল পাননি, যদিও মাঠে সম্পূর্ণ সময় খেলেছিলেন। তবে মরসুম শেষে পিচিচি ট্রফি ঠিকই তার হাতেই ওঠে, বেনজেমাকে পেছনে ফেলে।

বইটিতে আরও রয়েছে বার্সেলোনার আর্থিক টানাপোড়েনের আরেক নজির। এক সফরে দলের খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য না দেখে লেভানদোভস্কি কারণ জানতে চাইলে ক্লাবের শেফ নাকি বলেছিলেন— “টাকা বাঁচাতে হবে।”

লেভানদোভস্কির এই জীবনী প্রকাশের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে—একজন স্ট্রাইকারকে গোল না করতে বলার মতো পরিস্থিতিতে কীভাবে পৌঁছাল বার্সেলোনা? আর্থিক সংকট কি এতটাই তীব্র ছিল যে মাঠের পারফরম্যান্সেও হস্তক্ষেপ করতে হলো? নতুন এই প্রকাশনা যে কাতালান জায়ান্টদের আরেক দফা সমালোচনার মুখে ঠেলে দেবে, তা এখনই পরিষ্কার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com