লাইফস্টাইল ডেস্ক: শারদীয় দুর্গোৎসবে কিশোরী ও তরুণীদের সাজপোশাক নিয়ে পরিবারগুলোতে এক অন্যরকম আমেজ তৈরি হয়। শৈশব পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এই বয়সি মেয়েদের সাজে ভিন্নতা আনতে আধুনিক ও ঐতিহ্যের মিশ্রণ ঘটিয়ে পোশাক নির্বাচন করা যেতে পারে। উৎসবের দিনগুলোতে বড়দের মতো ওড়না বা ভারী শাড়ি সামলানোর ঝামেলা এড়াতে আরামদায়ক কিন্তু স্টাইলিশ পোশাকের প্রতি ঝোঁক বেশি থাকে এই প্রজন্মের তরুণীদের। তাদের এই বিশেষ বয়সের চপলতা ও স্নিগ্ধতা ফুটিয়ে তুলতে ফ্যাশন সচেতনরা নানা ধরনের ট্রেন্ডি পোশাকের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
উৎসবের আমেজে কিশোরীদের জন্য বড় ঘেরের স্কার্টের সঙ্গে ক্রপ টপ বা মিডি টপ বেশ জনপ্রিয় একটি পছন্দ। সিল্ক বা নেটের লেহেঙ্গার সঙ্গে মিরর ওয়ার্ক ও ফ্লোরাল মোটিফের এমব্রয়ডারি করা ক্রপ টপ এখনকার ফ্যাশনে দারুণ ট্রেন্ড তৈরি করেছে। এর সঙ্গে অ্যান্টিক জুয়েলারি যুক্ত করলে পুরো লুকে এক চমৎকার আভিজাত্য ফুটে ওঠে। এ ছাড়া জর্জেট বা শিফন কাপড়ের ঘেরওয়ালা সারারা ও গারারা স্যুট দিনের বেলা কিংবা রাতের জাঁকালো নিমন্ত্রণে তরুণীদের লুকে স্নিগ্ধতা ও উজ্জ্বলতা দুটোই বাড়িয়ে দেয়।
প্রচলিত সালোয়ার-কামিজের বাইরে ভিন্ন লুকের খোঁজে থাকা তরুণীদের জন্য ইন্দো-ওয়েস্টার্ন লং গাউন বা শর্ট কুর্তির সঙ্গে পালাজ্জো কিংবা স্কার্ট দারুণ বিকল্প হতে পারে। নবমীর মতো বিশেষ রাতে পরার জন্য রেডি টু ওয়্যার শাড়িও কিশোরীদের বেশ মানানসই। অন্যদিকে, মার্জিত ও ঐতিহ্যবাহী লুকে উৎসব উদযাপনের ক্ষেত্রে প্যাস্টেল শেডের আনারকলি স্যুট চমৎকার একটি পছন্দ। হালকা রঙের এসব পোশাক তরুণীদের সাবলীল সৌন্দর্যকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
উৎসবের দিনগুলোতে দীর্ঘ সময় সতেজ ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে সুতি, লিনেন বা জর্জেটের পোশাক নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। দিনের বেলা সাদা, ল্যাভেন্ডার ও প্যাস্টেল শেডের হালকা রঙের পোশাক পরা ভালো, আর রাতের জমকালো আয়োজনে বটল গ্রিন, কালো কিংবা ওয়াইন রেডের মতো গাঢ় রং বেছে নেওয়া যেতে পারে। এই বয়সিদের মেকআপ সবসময় পরিমিত রাখা উচিত এবং পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে ছোট কানের দুল, পাথরের বালা বা স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড পরলে সাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়।