March 16, 2026, 4:44 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ইরানে হামলাকে সমর্থন জানাল পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘র‌্যাগ ডে’ বন্ধে মাউশির কঠোর নির্দেশনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে ঝুপড়িমুক্ত হচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত তেহরান কখনোই যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য অনুরোধ করেনি: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি শহীদ মিনারে গুলিতে নিহত রাকিব ‘ফ্যামিলি এন্টারটেইনমেন্ট বিডি’র রাকিব নন, জানাল পরিবার তোমরা কি আমার আঙুল গুনতে চাও, প্রশ্ন নেতানিয়াহুর খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে আজ দিনাজপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দাঁড়াতে পারেন সাদিক কায়েম

প্রকাশ্যে বই খুলে পরীক্ষা দিলেন অনার্স শিক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, December 23, 2025
  • 112 Time View

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে একটি মাদরাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় শিক্ষকের উপস্থিতিতেই প্রকাশ্যে বই-খাতা খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা—এমন একটি ভিডিও সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নানা মহলে সমালোচনার ঝড় বইছে।

২ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষার হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছেই বই। তারা প্রকাশ্যে টেবিলের ওপর বই খুলে প্রশ্নের উত্তর লিখছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওটি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার। প্রতিষ্ঠানটিতে ফাজিল স্নাতক (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রবিবার (২১ ডিসেম্বর) প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন, যারা সবাই ওই মাদরাসারই শিক্ষার্থী।

নিজ মাদরাসায় পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকরাই বই খুলে পরীক্ষার খাতায় লেখার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোদ মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তিনি কেন্দ্র ফি বাবদ ৫০০ টাকা এবং পরীক্ষায় অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়া কথা বলে আরো ৬০০ টাকাসহ মোট ১১০০ টাকা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করেন।

এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসকে ফোনে কল দেওয়া হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফোন বন্ধ করে দেন। এরপর একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘পরীক্ষায় অসদুপায়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেব।’

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, ‘আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানলাম। আজই তদন্ত কমিটি করে প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com