August 18, 2026, 3:30 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী জলাবদ্ধতা ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান দাবি জামায়াতের সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের ফোন ব্যবহার নিয়ে যা বললেন কারা মহাপরিদর্শক জিয়া ও খালেদার সমাধিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্যদের শ্রদ্ধা সরকার বদলেছে, রাষ্ট্র কি বদলেছে? স্থানীয় সরকারের ৫ নির্বাচন চলতি অর্থবছরে: শাহে আলম স্থানীয় সরকার নির্বাচন চলতি অর্থবছরেই: শাহে আলম খিলক্ষেতের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় মেজর সাদিক গ্রেফতার জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্র নয়, যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া

জনবল নীতিমালা নেই, একের পর এক কর্মকর্তা সংযুক্ত

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, July 30, 2026
  • 45 Time View
61

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। এর ৯ বছরেও অনুমোদন হয়নি জনবল নীতিমালা (অর্গানোগ্রাম)।

এই সুযোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ‘ম্যানেজ’ করে ইচ্ছামতো বোর্ডে শিক্ষা ক্যাডাররা সংযুক্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।নীতিমালা না হওয়ায় অস্থায়ী কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে একই পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে দক্ষ জনবল তৈরি হচ্ছে না বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর প্রস্তাবিত জনবল নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়।

ওই প্রস্তাবনায় ছিল ১২ জন কর্মকর্তা এবং ১২০ জন কর্মচারী। তবে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে কর্মকর্তা ১২ জন রাখা হলেও কর্মচারীর সংখ্যা ৬০ জন করে একটি জনবল নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করা হয়। তবে এর ৯ বছর পার হলেও ওই নীতিমালা এখনো অনুমোদন করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা মন্ত্রণালয়কে ‘ম্যানেজ’ করে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে সংযুক্ত হচ্ছেন।

এ সংযুক্তির পেছনে অবৈধ লেনদেনও হয় বলে অভিযোগ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, বোর্ড প্রতিষ্ঠার পরপর যারা এখানে সংযুক্ত হয়েছেন, তারা অন্তত তিন লাখ টাকা করে ঘুষ দিয়েছেন। তবে এখন ওই ঘুষের অংক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ টাকায়।

সূত্রটি জানায়, শিক্ষা ক্যাডাররা কলেজ ছেড়ে শিক্ষা বোর্ডে সংযুক্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে, বোর্ডে যোগদান করার পর বেতনের বাইরেও অনেক বাড়তি ভাতা থাকে। পাশাপাশি অবৈধ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে।

এসব কারণে শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক সংযুক্ত হচ্ছেন শিক্ষা ক্যাডাররা। নীতিমালা না থাকায় এ বিষয়ে বোর্ড কিছু করতে পারছে না।ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এ বোর্ডে কর্মকর্তার সংখ্যা ২৫। আর কর্মচারী ২৬ জন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মচারী বলেন, বেশিরভাগ কাজ কর্মচারীরা করেন। অথচ কর্মকর্তা আর কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় সমান।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ড. গাজী হাসান কামাল এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে বলেন, পপুলেশন (শিক্ষার্থীর সংখ্যা) অনুযায়ী ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এত কর্মকর্তা থাকার কোন প্রয়োজন নেই। আমি প্রথম চেয়ারম্যান হিসাবে যে প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম পাঠিয়েছিলাম সেখানে ১২ জন কর্মকর্তা ছিল। অথচ এখন কর্মকর্তা ২৫ জন। শুনেছি একই পদে একাধিক কর্মকর্তা রয়েছেন। নীতিমালা না থাকায় এটি হয়তো নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বোর্ড।

জনবল নীতিমালা অনুমোদন না হওয়ার বিষয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো. এনামুল হক বলেন, ‘শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ সব খরচ বোর্ডের উপার্জিত তহবিল থেকে মেটাতে হয়। তবে যেসব শিক্ষা ক্যাডার অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বোর্ডে সংযুক্ত হন, তারা নিজেদের মূল প্রতিষ্ঠান থেকেই বেতন-ভাতা পান।’ তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে কর্মকর্তার সংখ্যা প্রয়োজনের বেশিই রয়েছে। এসব সংযুক্তি সরাসারি মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়ায় আমাদের কিছু করার থাকে না।’

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সদ্য নিযুক্ত চেয়ারম্যান আ. জা. মা. রেজাউল করিম খান বলেন, ‘আমি কয়েক দিন হলো যোগদান করেছি। নীতিমালা কেন অনুমোদন হচ্ছে না, সেটি বিস্তারিত জানার পর বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব। কর্মকর্তার সংখ্যা কিছুটা বেশি হলেও এটি সরাসরি মন্ত্রণালয় থেকে করা হয়। এখানে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com