বিমান টিকিটের কৃত্রিম সংকট এবং অসাধু সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, টিকিটের কালোবাজারি রোধ ও প্রবাসী কর্মীদের ভোগান্তি কমাতে ট্রাভেল এজেন্সি ও বেসামরিক বিমান চলাচল আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি টিকিটে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির লাইসেন্স নম্বর, নাম এবং বিক্রয়মূল্য উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করেন যে, বিশ্বব্যাপী চালু থাকা ‘ডাইনামিক প্রাইসিং’ পদ্ধতির কারণে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বিমান ভাড়ায় তারতম্য হওয়া স্বাভাবিক। জ্বালানির দাম, বিমানবন্দরের চার্জ এবং বুকিংয়ের সময়ের ওপর ভিত্তি করেই মূলত এই ভাড়া নির্ধারিত হয়। তবে প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টিকিটে বিশেষ প্রণোদনা, লাউঞ্জে বাড়তি সুবিধা এবং ইমিগ্রেশন ও চেক-ইনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়া চলছে।